ধানের দামের দ্রুত সমাধান করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৮:০১, মে ২০, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:১৯, মে ২০, ২০১৯

কৃষি কর্মকর্তাদের গাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানবাজারে ধানের দাম কম হওয়ার বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘এ ব্যাপারে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। দ্রুতই এর সমাধান করা হবে। কৃষিকে আধুনিকায়ন, যান্ত্রিকীকরণ ও বাণিজ্যিকীকরণ করে কৃষির সব সমস্যা দূর করা হবে। আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে যা যা উল্লেখ রয়েছে তার সব বাস্তবায়ন করা হবে।’
কৃষকের পাশে সরকার না থাকলে কিভাবে খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে- এমন প্রশ্ন ছুঁড়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার কৃষকের পাশে আছে বলেই বিভিন্ন কৃষি উপকরণের দাম কয়েক গুণ কমিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধি করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছে।’ সোমবার (২০ মে) কৃষিমন্ত্রী রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের থ্রিডি অডিটোরিয়ামে উপজেলা পর্যায়ে ‘প্রযুক্তি হস্তান্তর’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের (৩য় পর্যায়ে) আওতায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের গাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, দেশে শিল্পায়নের ফলে কৃষি শ্রমিক দিন দিন কমে যাচ্ছে। এজন্য কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণ অপরিহার্য। কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণে সরকার ৫০ থেকে ৭০ ভাগ পর্যন্ত ভর্তুকি দিয়ে থাকে। কৃষি ও কৃষকের প্রয়োজনে যা যা করা দরকার সব করা হবে। সরকার এ ব্যাপারে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘কৃষিতে প্রণোদনা বাবদ ৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ৬ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে। বাকি ৩ হাজার কোটি টাকা কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণে ব্যবহৃত হবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আজ আমরা খাদ্য উদ্বৃত্ত দেশ। এখন আমরা পুষ্টির দিকে নজর দিয়েছি।’
কৃষির উৎপাদনশীলতা নির্ভর করে কৃষি প্রযুক্তির ওপর। কৃষি গবেষণার বিভিন্ন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে থাকেন কৃষি কর্মকর্তারা। এই প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। কৃষিমন্ত্রী ৮৮টি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার হাতে গাড়ির চাবি তুলে দেন। পর্যায়ক্রমে সকল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের গাড়ি দেওয়া হবে বলে কর্মকর্তাদের আশ্বস্ত করেন। এসব সরকারি গাড়ি প্রযুক্তি হস্তান্তরের কাজে ব্যবহারের জন্য কৃষি কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ২০১৮-২০২২ মেয়াদি প্রকল্পটি ৩ শ ১৫ কোটি টাকার। এর মাধ্যমে ৪৮টি জেলার ১০৬টি উপজেলায় ১০৬টি কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ২০ ইউনিয়নে কৃষকসেবা কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষ হলে এর মাধ্যমে কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, ফসলের উৎপাদন বাড়বে। কৃষি সম্পসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মীর নুরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) সনৎ কুমার সাহা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্প পরিচালক তাজুল ইসলাম পাটওয়ারী।

 

/এসআই/ওআর/

লাইভ

টপ