জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় বরাদ্দের প্রস্তাব ২৩ হাজার ৭৪৮ কোটি টাকা

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০১:২৬, জুন ১৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০১:২৭, জুন ১৪, ২০১৯

সিডর

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় আগামী অর্থবছরের জন্য ২৩ হাজার ৭৪৮ দশমিক ৫১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই অর্থ মোট বাজেটের ৭ দশমিক ৮০ শতাংশ। বরাদ্দকৃত এই টাকা মোট ২৫টি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ব্যয় করা হবে।

জলবায়ুকে গুরুত্ব দিতে এবার বাজেট উপলক্ষে অর্থ বিভাগ থেকে ‘টেকসই উন্নয়নে জলবায়ুর অর্থায়ন’ শীর্ষক একটি আলাদা বই প্রকাশ করা হয়েছে।

বইটিতে বলা হয়, ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছর অর্থাৎ গত পাঁচ বছরে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বরাদ্দের অংক ১২ হাজার ১৬৩ দশমিক ৩৬ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২৩ হাজার ৭৪৮ দশমিক ৫১ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা ২০১৯-২০ অর্থবছরের জিডিপির শতকরা শূন্য দশমিক ৮ ভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন।

জলবায়ুর জন্য বরাদ্দ করা এই অর্থ খরচ করবে ২৫টি মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়গুলো হচ্ছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, শিল্প মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় , সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।

‘টেকসই উন্নয়নে জলবায়ুর অর্থায়ন’ শীর্ষক বইটিতে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেন, প্রটোকল ও চুক্তিগুলোর উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের আইনি ও নীতি কাঠামো, বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থায়ন, বাংলাদেশের জলবায়ুর অর্থায়ন, ক্লাইমেট ফিসক্যাল ফ্রেমওয়ার্ক: বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা, জলবায়ু অর্থায়নে সুশাসন ব্যবস্থা, জলবায়ু নীতি ও কৌশলকে বাজেট প্রণয়ণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে একীভূতকরণসহ বেশ কিছু বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়,  জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে ৬ষ্ঠ স্থানে রয়েছে। তাই ‘নিরাপদ , জলবায়ু পরির্ব্তনের অভিঘাত সহিষ্ণু সমৃদ্ধশালী ব-দ্বীপ গড়ে তোলা‘ এ রূপকল্পকে সামনে রেখে সরকার ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ ‘ নামে একটি অভিযোজনভিত্তিক, দীর্ঘমেয়াদি, সমন্বিত ও সামষ্টিক মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। পানি সম্পদের টেকসই ব্যবহার এবং পানির দ্বারা সৃষ্ট প্রাকৃতিক বিপর্যয় রোধ এ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।

 

/এসএনএস/টিএন/

লাইভ

টপ