ফের অনুষ্ঠিত হবে আইওএম’র উপমহাপরিচালক পদের নির্বাচন

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৬:০৩, জুন ২৬, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৩৫, জুন ২৬, ২০১৯

আইওএম

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) উপমহাপরিচালক পদে ফের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক ওই পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা  করেন।

বুধবার (২৬ জুন) জেনেভায় অনুষ্ঠিত  হ্যাঁ ও না ভোটে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক পেয়েছেন ৮৬ ভোট।  তার বিপক্ষে পড়ে ৫৭ ভোট। এ নির্বাচনে মোট ১৪৪টি সদস্য দেশ ভোটার। কাস্টিং হয়েছে  ১৪৩ ভোট, অর্থাৎ মোট ভোটের দুই-তৃতীয়াংশ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপমহাপরিচালক পদে বিজয়ী হতে মোট  ৯৬ হ্যাঁ ভোটের দরকার,  কিন্তু শহীদুল হক পেয়েছেন ৮৬ ভোট।

গত শুক্রবার পর্যন্ত আইওএম’র উপমহাপরিচালক পদের নির্বাচন পঞ্চম রাউন্ডে গড়ায়। শেষ রাউন্ডে শহীদুল ৭৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে থাকেন এবং তার নিকটতম সুদানের প্রতিদ্বন্দ্বী পান ৭৩ ভোট।  আইওএম ’র নিয়ম অনুযায়ী, কোনও প্রার্থী সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে অন্য প্রার্থীরা সরে যান এবং দুই-তৃতীয়াংশ ভোটারের সমর্থন আদায়ের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রার্থীকে হ্যাঁ ও না ভোটের সুযোগ দেওয়া হয়।  এ পদ্ধতি নিয়ে আফ্রিকান ইউনিয়ন জটিলতা তৈরি করলে মঙ্গলবার  পর্যন্ত নির্বাচন  মুলতবি করা হয়। পরে পুনরায় রিসিডিউল করে নির্বাচনের দিন বুধবার (২৬ জুন) নির্ধারণ করা হয়। সে অনুযায়ী আজ হ্যাঁ- না ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

আইওএম হচ্ছে জাতিসংঘের বৈশ্বিক অভিবাসন ব্যবস্থা দেখভালকারী সংস্থা। এই সংস্থা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ,  প্রায় এককোটি বাংলাদেশি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কর্মরত আছেন। তারা প্রতিবছর দেশে  ১৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স পাঠিয়ে থাকেন।

বাংলাদেশ ছাড়া আরও চারটি দেশ এ পদের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তারা হচ্ছে সুদান, ফিলিপাইন, আফগানিস্তান ও জর্ডান।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২১ জুন) দুপুর দুটায় নির্বাচন শুরু হয়। প্রথম রাউন্ডে শহীদুল দ্বিতীয় হয়েছিলেন এবং প্রথমদিকেই ফিলিপাইন ও জর্ডান তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে। চতুর্থ রাউন্ডেও শহীদুল হক দ্বিতীয় অবস্থানে থাকেন। প্রথমদিকে ফিলিপাইন ও জর্ডান সরে দাঁড়ানোর পরে চতুর্থ রাউন্ড শেষে আফগানিস্তান প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলে শহীদুল প্রথম অবস্থানে চলে আসেন।
অভিবাসন দুনিয়ার পরিচিত মুখ শহীদুল হক জাতিসংঘের এই সংস্থাটিতে এর আগেও বিভিন্ন উচ্চ পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা ত্যাগ করেন এবং ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে পররাষ্ট্র সচিব পদে যোগদান করেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শহীদুল হক অবসরকালীন ছুটিতে গেলেও সরকার পুনরায় একবছরের জন্য তার চাকরির মেয়াদ বাড়ায়। তিনি গত বছর সরকারের সিনিয়র সেক্রেটারি পদে উন্নীত হন।

 

/এসএসজেড/এপিএইচ/

লাইভ

টপ