সরকারের সঙ্গে তদন্ত পরিধি ও কার্যপ্রণালী নিয়ে আলোচনা করেছে আইসিসি

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০২:০১, জুলাই ১৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০২:০৩, জুলাই ১৮, ২০১৯

আইসিসি

রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের তদন্ত করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের বাংলাদেশে পরিধি ও কার্যপ্রণালী কী হবে সেটি নিয়ে আলোচনা করেছে আইসিসির প্রতিনিধি দল। বুধবার (১৭ জুলাই) দিনভর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেছে আইসিসির ডেপুটি প্রসিকিউটর জেমস স্টুয়ার্ট।

এ বিষয়ে সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আজকে আমাদের সঙ্গে তাদের মোডাস অপারেন্ডি কী হবে সে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তদন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করার আগে এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও আইসিসির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই করতে হবে।’

বৃহস্পতিবার প্রেস কনফারেন্স করার পরে শুক্রবার তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, পৃথিবীর যেখানেই আইসিসি তদন্ত করেছে ওই দেশগুলির সঙ্গে চুক্তি করতে হয়েছে তাদের। এটি তদন্ত করার একটি পূর্বশর্ত।

এবারে দ্বিতীয়বারের মতো প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে আইসিসি। বাংলাদেশে মাঠ পর্যায়ের অবস্থা কী এবং তদন্ত করার পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার জন্য গত মার্চে প্রথম দলটি ঢাকা সফর করে। দ্বিতীয় বার গত ১৬ জুলাই ওই প্রতিনিধিদল ঢাকায় এসেছে।  

প্রথমবার তারা পররাষ্ট্র, আইন মন্ত্রণালয়সহ সরকারের অন্যান্য এজেন্সিগুলির সঙ্গে বৈঠক করে।

এর আগে জুলাই এর প্রথম সপ্তাহে আইসিসির প্রধান কৌশলি ফেতু বেনসুদা মিয়ানমার হতে রোহিঙ্গা জনগণের নির্বাসন ও তাদের বিরুদ্ধে করা অন্যান্য অমানুষিক কাজকর্ম ও অত্যাচার অর্থাৎ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ তদন্ত করার অনুমতি চেয়েছেন।

মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধগুলির অন্তত একটি অংশ যা বাংলাদেশের এলাকায় ঘটেছে এবং সেসব ঘটনার তদন্ত শুরু করার অনুমোদন চেয়ে তিনি বিচারপতিদের কাছে অনুরোধ করেছেন।

রাখাইনে ৯ অক্টোবর ২০১৬ থেকে শুরু করে যে অপরাধ হয়েছে সেটি এই তদন্তের অন্তর্ভুক্ত।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৯ই এপ্রিল ফেটু আদালতের বিচারপতিদের কাছে রোহিঙ্গা জনগণের মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে কথিত নির্বাসনের বিষয়ে এক্তিয়ারের প্রশ্নের ওপর আইনী নির্দেশের জন্য একটি অনুরোধ করেছিলেন।

কৌশুলি তার আবেদনে বলেন যে, সাত লাখ রোহিঙ্গাকে নানা ধরনের জোরজবরদস্তিমূলক কাজের মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে নির্বাসন করা হয়েছে সেটি বিশ্বাস করার যথাসঙ্গত ভিত্তি বিদ্যমান।

তিনি আরও বলেন, এটি বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে এজন্য যে, ২০১৭ সালের রাখাইনে রোহিঙ্গারা হিংস্রতার শিকার হয় এবং এই অপরাধগুলি অংশত মিয়ানমারের অঞ্চলে এবং অংশত বাংলাদেশ অঞ্চলে সংঘটিত হয়েছিল।

 

/এএসজেড/এএইচ/

লাইভ

টপ