অক্টোবরে ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক
প্রকাশিত : ০৭:৫৪, আগস্ট ০৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৩, আগস্ট ০৫, ২০১৯





প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছবি- বাসস

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী অক্টোবর মাসে ভারত সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এ বছরের গোড়ার দিকে টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর এটা হবে তার প্রথম নয়াদিল্লি সফর। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে মোমেন রবিবার (৪ আগস্ট) এ কথা জানান।
রবিবার সন্ধ্যায় তিনি বাসসকে বলেন, ‘অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে এই সফর অনুষ্ঠিত হবে বলে আমরা আশা করছি। এ মাসের শেষ দিকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ঢাকা সফরের পর আমরা তারিখ ও বিষয়সূচি ঠিক করবো।’
মোমেন বলেন, ‘ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দুই দিনের সফরে ২০ আগস্ট ঢাকা পৌঁছার কথা এবং ঢাকা ও নয়াদিল্লি এই সফরের বিষয়ে এরই মধ্যে কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।’
দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের বিষয়সূচি সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৫৪টি নদী বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি বণ্টনসহ সব দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক ইস্যু সম্বলিত বিষয়সূচি প্রস্তুত করবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা নীতিগতভাবে (তিস্তা চুক্তি করতে) সম্মত হয়েছি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বিরোধিতার কারণে বিলম্ব হচ্ছে।’
ড. মোমেন আরও বলেন, ‘ঢাকা এই চুক্তির ব্যাপারে সবসময় আশাবাদী হলেও একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সঙ্গে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের একটা সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে বিলম্ব হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এই শীর্ষ বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হতে পারে। কারণ, নয়াদিল্লি এখন মনে করে শিগগিরই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু হওয়া উচিত।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমার দৃঢ় বিশ্বাস, শিগগিরই এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভারত, চীন ও জাপানসহ মিয়ানমারের বড় বড় মিত্ররা বাংলাদেশের প্রতি তাদের ইতিবাচক সমর্থন জানিয়েছে।’
মোমেন বলেন, ‘তিনি সম্প্রতি ব্যাংককে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাকে জানিয়েছেন, ভারত এরইমধ্যে মিয়ানমার সরকার বিশেষ করে তাদের সামরিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছে এবং সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে যত দ্রুত সম্ভব প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে বলেছেন।’
চীন ও জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে মোমেন বলেন, ‘তারা সবাই চান রোহিঙ্গারা রাখাইনে ফিরে যাক।’
এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মোমেন বলেছিলেন, তার কার্যালয় এ বছর বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর আগেই কানাডা বা যুক্তরাষ্ট্র থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এক বা দুজন পলাতক স্বঘোষিত খুনিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা এ বছরের মধ্যে এক বা দুইজনকে (পলাতক খুনি) ফিরিয়ে আনতে চাই।’ বাসস

/এপিএইচ/এমএমজে/

লাইভ

টপ