২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ২৩৪ টন বর্জ্য অপসারণ: আতিকুল ইসলাম

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:৩০, আগস্ট ১৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৩৪, আগস্ট ১৩, ২০১৯

সংবাদ সম্মেলনে আতিকুল ইসলাম

ঘোষণা অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় কোরবানির পশুর ১৩ হাজার ২৩৪ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) বিকালে উত্তর সিটির নগর ভবনে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে পাঁচ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নিজ নিজ এলাকা বর্জ্যমুক্ত ঘোষণা করেন। আর আজ বেলা ১১টা থেকে ১টার মধ্যে ডিএনসিসির সব এলাকা বর্জ্যমুক্ত ঘোষণা করা হয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কোরবানির বিপুল পরিমাণ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ডিএনসিসি এলাকায় আড়াই লাখের বেশি পশু কোরবানি হয়েছে। আমরা ২৭৩টি পশু জবাইয়ের স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম। এসব স্থানসহ সরকারি এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন আবাসিক কমপ্লেক্সের ভেতরে নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই করা হয়েছে। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবছর নির্ধারিত স্থানে পশু জবাইয়ে জনগণের সাড়া উৎসাহব্যঞ্জক। গত বছরের তুলনায় এবছর নির্ধারিত স্থানে পশু জবাইয়ের সংখ্যা বেড়েছে।’

মেয়র আরও বলেন, ‘করপোরেশনের পক্ষ থেকে কোরবানির মাংস বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কারণে পূর্বের তুলনায় অনেকে উৎসাহিত হয়ে নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি দিয়েছেন। আশা করি, আগামী বছর এ সংখ্যা আরও বাড়বে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের ওয়েব্রিজের তথ্য অনুযায়ী দুই হাজার ৪৪৯টি ট্রিপে ১৩ হাজার ২৩৪ টন বর্জ্য ল্যান্ডফিলে পরিবহন করা হয়েছে। স্বল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য অপসারণ, বর্জ্য ব্যবস্থায়ন এবং সড়ক পরিচ্ছন্ন করার কাজে ৪৩৮টি বিভিন্ন ধরনের যান-যন্ত্রপাতি নিয়োজিত ছিল।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘এবছর কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমরা লক্ষ্য করেছি, জনগণ আগের চেয়ে সচেতন ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। বর্জ্য ব্যাগ, ব্লিচিং পাউডার এবং তরল জীবাণুনাশকের ব্যবহার বেড়েছে। ডিএনসিসির সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকেই ডিএনসিসির নির্ধারিত স্থানে না গিয়ে নিজ বাড়ির সামনের রাস্তার ওপর কোরবানি করেছেন, যা অপ্রত্যাশিত ছিল। আমি আগামী কোরবানিতে সবাইকে রাস্তার ওপর পশু কোরবানি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’

মেয়র বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। আবারও আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে জনসাধারণকে জানাতে চাই যে, ডেঙ্গু প্রতিরোধ করার জন্য জনসচেতনতাসহ বিশেষ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

এসময় আরও ছিলেন– ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মঞ্জুর হোসেন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ আহমেদ, সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া প্রমুখ।

 

/এসএস/এমএ/

লাইভ

টপ