‘ভূমি নিবন্ধন অফিস নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন ফেলেও দিচ্ছি না, পুরোপুরি গ্রহণও করছি না’

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৩:৫২, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:২১, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯

ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন,  ‘ভূমি নিবন্ধন অফিস নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন আমি দেখেছি। প্রতিবেদনটি আমি পুরোপুরি গ্রহণ করছি না। আবার ফেলেও দিচ্ছি না।’

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার দেখা করেন।  সাক্ষাৎ শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন,  ‘ভূমি নিবন্ধন অধিদফতর আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে। এটি যদি ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে আসা হয় তাহলে এ দফতর সম্পর্কে অভিযোগ কমবে। বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জটিল। তবে এ ব্যবস্থাটি অটোমেশন করা গেলে এই জটিলতা থাকবে না।’

প্রসঙ্গত, ৯ সেপ্টেম্বর (সোমবার) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ভূমি দলিল নিবন্ধন সেবায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায় শীর্ষক একটি গবেষণা  প্রতিবেদন প্রকাশ করে। জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব রেজিস্ট্রার অফিসের অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয় এ প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়েছে, জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রার অফিসগুলোতে সেবা পেতে প্রতিটি পদক্ষেপে সেবাগ্রহীতাদের ৫০০ থেকে শুরু করে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। এই খাতে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে বড় ধরনের দুর্নীতি ও ঘুষ লেনদেনের চিত্র বিরাজ করছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে একজন সাব-রেজিস্ট্রারকে বদলি করতে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ লেনদেন হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সেবার মান নিয়ে সন্তুষ্ট কিনা এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি সন্তুষ্ট নই। গুণগত সেবা দিতে চাই। এ লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ে কাজ চলছে।’   

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে তিনি বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে স্ট্যাডি ট্যুরের প্রস্তাব দিয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র অংশ নেবে বলে জানিয়েছেন মিলার। বাংলাদেশের চলমান উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মিলার। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

 

/এসআই/এসটি/

লাইভ

টপ