যে কারণে সুরাহা হচ্ছে না আলোচিত ঘটনাগুলোর

Send
জামাল উদ্দিন
প্রকাশিত : ০৭:৫৮, অক্টোবর ১২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৪৬, অক্টোবর ১২, ২০১৯

 

আলোচিত ঘটনাসাম্প্রতিক আলোচিত ঘটনাগুলোর সুরাহা হচ্ছে না নানা কারণে। সড়কে বিশৃঙ্খলা নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, জঙ্গি হামলা, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি, সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা ও ডাকসু ভিপির বিরুদ্ধে মামলাসহ অনেক ঘটনাই তদন্ত শেষ না হওয়ায় আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। আর বিভিন্ন আলোচিত হত্যাকাণ্ড ও জঙ্গি হামলাগুলোর সঙ্গে জড়িত অনেককেই ধরতে না পারায় ওইসব মামলার তদন্তও শেষ করা যাচ্ছে না। তদন্ত কর্মকর্তাদের ভাষ্য- মামলাগুলো স্পর্শকাতর। তদন্তের ক্ষেত্রে অনেক বিষয় খতিয়ে দেখতে হচ্ছে। ফলে যথা সময়ে মামলার তদন্ত শেষ হচ্ছে না।
শিক্ষার্থীদের সড়ক আন্দোলন
সড়কে নির্মম দুর্ঘটনাগুলোর একটি হচ্ছে সরকারি তিতুমীর কলেজের স্নাতকের ছাত্র রাজীব হোসেনের মর্মান্তিক মৃত্যু। ২০১৮ সালের ৩ এপ্রিল বিআরটিসি বাসে যাত্রাবাড়ী যাচ্ছিলেন তিনি। কাওরান বাজারে আসার পর স্বজন পরিবহনের একটি বাস পেছন থেকে বিআরটিসি বাসের গা ঘেষে ওভারটেক করার সময় রাজীব হোসেনের ডান হাতের কব্জি শরীর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি। এ নির্মম দুর্ঘটনাটি মানুষের মনে ব্যাপক নাড়া দিয়েছিল। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত শেষ হয়নি এখনও। দুর্ঘটনার পর ৪ এপ্রিল (২০১৮) রাজীব নিজেই বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলাটি ২৭৯ ও ৩৩৮ (ক) ধারায় নথিভুক্ত করা হয়। কিন্তু ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ১৬ এপ্রিল রাতে মারা যান। এরপর মামলায় ৩০৪ ধারা যোগ করে অপরাধজনিত প্রাণহানির অভিযোগ আনা হয়। মামলাটি তদন্ত করছে শাহবাগ থানা পুলিশ। রাজীবের দুর্ঘটনার এক দিন পর হাইকোর্টে রিট করেন একজন আইনজীবী। হাইকোর্ট তার স্বজনদের ক্ষতিপূরন দিতেও নির্দেশ দেন। কিন্তু সেটা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। জানতে চাইলে শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তদন্ত চলছে। তাছাড়া বিষয়টি উচ্চ আদালতেরও নজরে রয়েছে। তাই এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। এ মামলার শুনানির জন্য আগামী ৪ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন ঢাকা মহানগর হাকিম সারাফুজ্জামান আনছারীর আদালত।
একের পর এক এমন দুর্ঘটনার কয়েকমাস পর একই বছরের ২৯ জুলাই দুই বাস চালকের প্রতিযোগিতায় বিমানবন্দর সড়কে প্রাণ হারান শহীদ রমিজউদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিম ও আবদুল করিম রাজীব। আহত হন আরও ১০ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী। এদিন শিক্ষার্থীদের হতাহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে ওইদিনই রাস্তায় নামেন রমিজউদ্দিনসহ আশে-পাশের কয়েকটি স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের দাবিতে শুরু হয় দেশের ইতিহাসের অন্যতম আন্দোলন। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে এ আন্দোলন। রাস্তায় শৃঙ্খলা ফেরাতে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই ট্রাফিকিংয়ের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। গণপরিবহনসহ ব্যক্তিগত গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স ও কাগজপত্র চেক করাসহ সব ধরনের যানবাহনকে নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন থেকেই দাবি ওঠে নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের পদত্যাগসহ সড়ক আইন সংস্কারের।
শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী নৌ মন্ত্রী শাজাহান খান পদত্যাগ করেননি। তবে ৩০ ডিসেম্বর (২০১৮) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় শাজাহান খান আর জায়গা পাননি। এর আগে ৮ অক্টোবর (২০১৮) জাতীয় সংসদে ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ নামে একটি আইন পাস হয়। কিন্তু সেই আইন বাস্তবায়নে বাধা আসে পরিবহন মালিক ও প্রমিকদের পক্ষ থেকে। এরপর সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল ও সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ প্রায়োগিক কমিটি নামে দু’টি কমিটি গঠন করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, এপর্যন্ত সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল ২৭টি ও প্রায়োগিক কমিটি পাঁচটি সভা করেছে। প্রায়োগিক কমিটি কিছু সুপারিশও করেছে। এসব সুপারিশ ও সংশোধনী আবার জাতীয় সংসদে পাঠানো হবে বলেও এই দুই কমিটির প্রভাবশালী দুই সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গত ২৫ সেপ্টেম্বর (২০১৯) প্রায়োগিক কমিটির বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
বিচারপতি এস কে সিনহা
সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার (এস কে সিনহা) পদত্যাগ ও দেশ ত্যাগের ঘটনাটি ছিল অন্যতম আলোচিত ইস্যু। ২০১৫ সালের ১৭ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন এস কে সিনহা। ২০১৭ সালের ১৩ অক্টোবর রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ত্যাগ করেন তিনি। এর আগে ১০ অক্টোবর প্রধান বিচারপতি আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে তার বিদেশ ভ্রমণের বিষয়টি চিঠি দিয়ে অবহিত করেন। বিচারপতি এস কে সিনহার ঘটনাটি আইনজীবী, রাজনীতিকসহ সবমহলে আলোচনার ঝড় ওঠে। এসময় তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ শোনা যায়। তিন কোটি ২৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগে ২৭ সেপ্টেম্বর (২০১৮) বিচারপতি এস কে সিনহার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট অ্যালায়েন্সের (বিএনএ) সভাপতি ও সাবেক বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন। ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত সিকদারের আদালতে ওই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ধার্য রয়েছে আগামী ২৯ অক্টোবর। আদালতের নির্দেশে বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছেন দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সাবেক প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি স্পর্শকাতর। এ মামলায় যাদের সাক্ষী করা হয়েছে, তাদের তলব করা হয়েছিল। দু’একজন এলেও অন্যরা এখনও সাক্ষ্য দিতে আসেননি। এছাড়া অনেক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও অভিযোগের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করতে হচ্ছে। এ কারণেই তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বিলম্ব হচ্ছে।
আশকোনার জঙ্গি আস্তানায় অভিযান
আশকোনার জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন শেষ করতে পারেনি পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। ২০১৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর রাজধানীর দক্ষিণখান থানার আশকোনা এলাকার ‘সূর্য ভিলা’ নামের একটি বাড়িতে অপারেশন চালায় সিটিটিসি। এতে দুই জঙ্গি নিহত হয়। আত্মসমর্পণ করেন দুই নারী। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হচ্ছেন সিটিটিসির ইন্সপেক্টর সায়েদুর রহমান। এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক আমিনুল হক আগামী ৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, অপারেশন রিপল-২৪ অভিযানের পরপরই সব আলামত সংগ্রহ করা হয়। তবে নানা কারণে অভিযোগপত্র দাখিলে বিলম্ব হচ্ছে। গুলশানের হোলি আর্টিজান হামলার পর বিভিন্ন জঙ্গি আস্তানায় জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালানো হয়। আশকোনার আস্তানায় চালানো অভিযান হোলি আর্টিজানের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত। সবকিছু খতিয়ে দেখে নির্ভুল অভিযোগপত্র দিতে সময় লাগছে।
চার্জশিট দিতে বিলম্ব হওয়ার কারণ জানতে চাইলে সিটিটিসির উপ-কমিশনার (ডিসি) সাইফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আশকোনার জঙ্গি হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাটির চার্জশি এখনও দেওয়া সম্ভব হয়নি। অনেকগুলো বিষয় খতিয়ে দেখতে হয়। সেজন্য কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তবে খুব শিগগির চার্জশিট দিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে।’
ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর
২০১৮ সালে আরেকটি আলোচিত বিষয় ছিল সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন। সেই আন্দোলনের অন্যতম নেতা নুরুল হক নুর নানা কারণেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। যদিও সেই কোটা সংস্কার আন্দোলন এখন অনেকটাই স্তিমিত। তবে ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফের আলোচনায় উঠে আসেন নুরুল হক নুর। নির্বাচনে তিনি ডাকসুর ভিপি নির্বাচিত হন। ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রোকেয়া হলের প্রভোস্ট জিনাত হুদাকে লাঞ্চিত করা ও ভাঙচুরের অভিযোগে মামলা হয় ভিপি নুরুল হক নুরসহ সাত জনের বিরুদ্ধে। গত ১১ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী মারজুকা রায়না শাহবাগ থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। বর্তমানে ঢাকা মহানগর হাকিম সারাফুজ্জামান আনছারীর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য মামলাটি শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরসহ সাত জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করছে শাহবাগ থানা পুলিশ। দীর্ঘদিনেও মামলার তদন্ত শেষ করা যায়নি কেন, জানতে চাইলে শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তদন্তের অনেকগুলো বিষয় থাকে, যেগুলো বলা ঠিক হবে না। তবে দ্রুত এ মামলার বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিতে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।’
গণপিটুনিতে তাছলিমা বেগম রেণু হত্যা
এবছরের (২০১৯) আরেকটি আলোচিত ইস্যু ছিল ‘ছেলেধরা’। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে ৬০ জন নিহত হয় গণপিটুনিতে। তবে ছেলেধরা গুজবের কারণে জুলাই-আগস্টের দিকে দেশে গণপিটুনির ঘটনা বৃদ্ধি পায়। শুধু জুলাই মাসেই গণপিটুনিতে মারা যান ১৭ জন। নিজের সন্তানের ভর্তির তথ্য জানতে গিয়ে গত ২০ জুলাই ছেলেধরা সন্দেহে রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় গণপিটুনিতে মর্মান্তিকভাবে নিহত হন তাছলিমা বেগম রেণু নামে এক নারী। এ ঘটনায় বাড্ডা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাগিনা সৈয়দ নাসির উদ্দিন টিটু। মামলাটির তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা মহানগর হাকিম জসিম উদ্দিন আগামী ২৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন।
গণপিটুনির এই মর্মান্তিক ঘটনাটির তদন্ত কোন পর্যায়ে আছে জানতে চাইলে বাড্ডা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সময়-সীমা বেঁধে মামলার তদন্তের কাজ করা যায় না। এটা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেও শেষ হতে পারে। আবার এক বছরও লেগে যেতে পারে। তবে আমরা এ ঘটনায় নতুন করে আরও কিছু লোককে শনাক্ত করেছি। তাদের ধরার চেষ্টা চলছে।’
রিজার্ভ চুরি
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে সুইফট কোডের মাধ্যমে ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় ১০১ মিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নেয় হ্যাকাররা। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মানি লন্ডারিং আইনে ১০১ মিলিয়ন ডলার চুরির অভিযোগ এনে ১৫ মার্চ (২০১৬) মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। শুরু থেকেই মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডিকে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত সিআইডি আজও শেষ করতে পারেনি।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দেশের ভেতরের লোকজন ছাড়াও বাইরের কয়েকটি দেশের অন্তত ৩০ জন জড়িত রয়েছে। এসব ব্যক্তির তথ্য পেতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়সহ বিভিন্নমাধ্যমে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তাদের তথ্য পাওয়ার পর চার্জশিট তৈরির কাজে হাত দেবে সিআইডি। আগামী ২০ অক্টোবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়ে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরীর আদালতে দিন ধার্য রয়েছে।

/এপিএইচ/

লাইভ

টপ