স্পিকার ও আলজেরিয়া পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১২:৪৮, অক্টোবর ১৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১২:৫৯, অক্টোবর ১৪, ২০১৯

সৌজন্য সাক্ষাতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও আলজেরিয়া পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট স্লিমানে চেনাইনবাংলদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে আলজেরিয়া পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট স্লিমানে চেনাইনের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে। রবিবার (১৩ অক্টোবর) বিকালে বেলগ্রেডে ১৪১তম ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) এর ভেন্যু  সাভা সেন্টারে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাক্ষাৎকালে তারা দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, সংসদীয় চর্চা, সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন এবং সন্ত্রাসবাদ নির্মূল নিয়ে আলোচনা করেন।

এ সময়  স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আলজেরিয়ার সম্পর্ক ঐতিহাসিক। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই আলজেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।’ ১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ আজও স্মরণীয় হয়ে আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্পিকার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধারাবাহিক নেতৃত্বে সংসদীয় গণতন্ত্র চর্চায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ৫০টি সংসদীয় কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’ উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন অনন্য উচ্চতায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার আট শতাংশ। এছাড়া, বাংলাদেশ সামাজিক ও অর্থনৈতিকসহ সব সূচকে সুদৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।’

সংসদীয় চর্চা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে আলজেরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় তিনি আলজেরিয়া পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাসবাদের বিপক্ষে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর এই নীতিতে বিশ্বাস করে বাংলাদেশ।’ সংসদীয় সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে ওআইসিভুক্ত দেশগুলো শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আলজেরিয়া পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট স্লিমানে চেনাইন বলেন, ‘সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনের মাধ্যমে দু'দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও  সুদৃঢ় হতে পারে। ঐতিহাসিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় দুই দেশ আন্তর্জাতিকভাবে সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ভূমিকা রাখতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আইপিইউ সম্মেলন এমন এক মিলনমেলা যেখানে বিশ্বের সব দেশ মত-বিনিময়ের সুযোগ পায়। সারাবিশ্বে সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে এ সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে।’

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সদস্য ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ নূর -ই-আলম চৌধুরী, হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আমির হোসেন আমু, মো. হাবিবে মিল্লাত, ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, আবদুস সালাম মুর্শেদী, পীর ফজলুর রহমান, সুবর্ণা মুস্তাফা, শবনম জাহান, সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান এবং ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদার উপস্থিত ছিলেন।

/ইএইচএস//এপিএইচ/

লাইভ

টপ