সংসদ ভবনে বাদলের জানাজা সম্পন্ন

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৬:৪৯, নভেম্বর ০৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:২২, নভেম্বর ০৯, ২০১৯

সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য মঈনুদ্দিন খান বাদলের জানাজা সম্পন্ন

প্রয়াত সংসদ সদস্য মঈনউদ্দীন খান বাদলের জানাজা শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার টানেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজার পর বীর মুক্তিযোদ্ধা মঈনউদ্দিন খান বাদলকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বীর মুক্তিযোদ্ধা মঈনউদ্দীন খান বাদলের কফিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীও মরহুমের কফিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এছাড়া  ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ নূর-ই- আলম চৌধুরী এর নেতৃত্বে হুইপবৃন্দ, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে ফখরুল ইমাম, ১৪ দলের পক্ষ থেকে মুখ্য সমন্বয়ক মো. নাসিমের নেতৃত্বে ১৪ দলীয় নেতারা, জাসদের পক্ষ থেকে শিরীন আখতারসহ দলীয় নেতারা মঈনউদ্দীন খান বাদল এর কফিনে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধার্ঘ্য

জানাজায় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, ১৪ দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ নূর-ই- আলম চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, হুইপ ইকবালুর রহিম, মো. আতিউর রহমান আতিক, মোহাম্মদ নাসিম, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, পরিবেশ বন ও জলবায়ু মন্ত্রী মো. শাহাবুদ্দিন, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মাহবুব উল আলম হানিফ, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, এ বি তাজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, নজরুল ইসলাম বাবু, শফিকুল ইসলাম শিমুল, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ প্রমুখ।

পরে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত পরিচালিত হয়।

এর আগে মরহুমের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি এবং পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর পুত্র তাইমুর নূর।

পরে মরদেহ চট্টগ্রামে তার বাসভবনের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গেছে, চট্টগ্রামে আরেকটি জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে।

মঈনউদ্দীন খান বাদল বাংলাদেশ জাসদের কার্যকরী সভাপতি ছিলেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ আসনে ১৪ দলীয় জোটের শরিক হিসেবে নিজ দল থেকে নির্বাচন করে জয়ী হন তিনি। তবে তার দল নিবন্ধিত না হওয়ায় সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হিসেবে গণ্য হন তিনি।

বাদল গত ৭ নভেম্বর ভারতের বেঙ্গালুরুতে নারায়ণ হৃদরোগ রিসার্চ ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৬৭ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এদিকে, এরইমধ্যে তার আসনটি (চট্টগ্রাম-৮) শূন্য ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে এ আসনে আগামী তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

 

/ইএইচএস/টিএন/

লাইভ

টপ