গ্রামভিত্তিক উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক
২৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:০৮আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:২৬

তুরস্কের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য গ্রাম কেন্দ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। যাতে দেশের সাধারণ জনগণ এর সুফল পেতে পারে।’
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) গণভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ডেভরিম ওজতুর্কের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।  প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম একথা জানান।
দেশের উন্নয়নে তার সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে শক্ত ভিত্তি (অর্থনৈতিক) এনে দিয়েছি। কেননা আমরা দারিদ্র্যের হার শতকরা ৪০ শতাংশ থেকে ২০.৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি।’
আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৮.১৫ শতাংশ এবং মাথাপিছু আয় এক হাজার ৯০৯ ডলারে উন্নীত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা বিশেষ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদানে তুরস্কের ভূমিকার প্রশংসা করেন। রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সমর্থন করতে তিনি তুরস্কের প্রতি ধন্যবাদ জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ সবসময় তুরস্কের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে মূল্য দেয় এবং তিনি তার বেশ কয়েকটি তুরস্ক সফর এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সহধর্মীনির বাংলাদেশ সফরের কথাও স্মরণ করেন।

তুরস্কের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য শেখ হাসিনার ভুয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘এর পুরো কৃতিত্বই আপনার। এটি কেবল আপনার জন্যই সম্ভব হয়েছে।’
তিনি বলেন,  তার দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন বাংলাদেশ কতটা দ্রুত এই উন্নতি করেছে।
তুরস্কের রাষ্ট্রদূত দায়িত্ব পালনকালে সবরকমের সহযোগিতার জন্য বাংলাদেরশের প্রধানমন্ত্রী এবং সরকারের প্রতি তার কৃতজ্ঞতা জানান।
বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিশেষ করে দেশটির জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের প্রযুক্তি এবং অভিজ্ঞতাকে বাংলাদেশের মতো বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের সঙ্গে ভাগাভাগিতে প্রস্তুত, বিনিয়োগ আসছে বাংলাদেশে।’
ডেভরিম ওজতুর্ক বাংলাদেশে তুরস্কের দূতাবাসের জন্য জমি বরাদ্দ করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং আগামী মাসের মধ্যে নবনির্মিত দূতাবাস ভবন উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত হবে বলে জানান। খবর বাসস।

 

 

/এসটি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
আত্মহত্যার প্ররোচনা: আলভীর জামিন আবেদন নাকচ 
আত্মহত্যার প্ররোচনা: আলভীর জামিন আবেদন নাকচ 
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা বাস্তবায়ন কঠিন তবে সম্ভব: গালিবাফ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা বাস্তবায়ন কঠিন তবে সম্ভব: গালিবাফ
গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে মেসি-এমবাপ্পের পাশে এবার হাল্যান্ড
গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে মেসি-এমবাপ্পের পাশে এবার হাল্যান্ড
স্বর্ণের দাম কমলো, প্রতি ভরি এখন কত?
স্বর্ণের দাম কমলো, প্রতি ভরি এখন কত?
সর্বাধিক পঠিত
জুলাইয়ে কাদের হাতে স্নাইপার রাইফেল ছিল জানালেন চিফ প্রসিকিউটর
জুলাইয়ে কাদের হাতে স্নাইপার রাইফেল ছিল জানালেন চিফ প্রসিকিউটর
আওয়ামী লীগ প্রশ্নে বদলেছে বিএনপির অবস্থান?
আওয়ামী লীগ প্রশ্নে বদলেছে বিএনপির অবস্থান?
‘ট্রাফিক পুলিশকে অনুরোধ না করতে সব মন্ত্রীকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী’  
‘ট্রাফিক পুলিশকে অনুরোধ না করতে সব মন্ত্রীকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী’  
মাকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে গলা কেটে হত্যা করলো ৪ ভাই
মাকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে গলা কেটে হত্যা করলো ৪ ভাই
মালয়েশিয়া নিয়ে সরকারের সঙ্গে বৈঠকের পর হতাশার কথা জানালেন অ্যান্ডি হল
মালয়েশিয়া নিয়ে সরকারের সঙ্গে বৈঠকের পর হতাশার কথা জানালেন অ্যান্ডি হল