স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোয় বিনামূল্যে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে

বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক
০৭ নভেম্বর ২০২০, ০৯:২০আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০২০, ০৯:২০

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিনামূল্যে কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে। এক্ষেত্রে ধনী দেশ, বহুমুখী উন্নয়ন ব্যাংক (এমডিবি) এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে (আইএফআই) উদারতার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশাবাদী বিশ্ব শিগগিরই কোভিড-১৯ এর কার্যকর ভ্যাকসিন পেতে যাচ্ছে। সব দেশের জন্য বিশেষ করে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিনামূল্যে এই ভ্যাকসিনের প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে।’
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ আসেম সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অর্থমন্ত্রীদের ১৪তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনকালে একথা বলেন। ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত সম্মেলনে স্বাগতিক হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ধারণকৃত এই ভাষণ প্রচার করা হয়। এবারের বৈঠকের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘কোভিড-১৯ মোকাবিলায়: একটি শক্তিশালী, টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ভারসাম্যপূর্ণ আরোগ্য নিশ্চিত করা।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিচ্ছিন্নতা নয় বরং পারস্পরিক সহযোগিতাই যেকোনও প্রকার সংকট উত্তরণে সহায়ক হতে পারে। উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোকে তাদের পূর্বে প্রতিশ্রুত অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে হবে, বিশেষ করে তাদের বাজারে উন্নয়নশীল দেশের পণ্যের শুল্ক মুক্ত এবং কোটা মুক্ত প্রবেশাধিকার এবং প্রযুক্তি সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।’

জি-৭, জি-২০, ওইসিডি ভুক্ত দেশগুলো, এমডিবি এবং আইএফআইসমূহকে ক্ষতিগ্রস্ত স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোকে মুক্ত করতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আর্থিক প্রণোদনা বাড়ানো, ছাড়যুক্ত অর্থ ও ঋণ মওকুফের ব্যবস্থা নিয়ে তাদের এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, ‘বিশ্ব অর্থনীতি, বিশেষত স্বল্পোন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলো এই মহামারিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ আয় ও কর্ম হারিয়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে এবং স্বাস্থ্য খাত মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে, কাজেই বেশিরভাগ দেশের এসডিজি অর্জন ও কঠোর উপার্জনের সমৃদ্ধি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।’
তিনি বলেন, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধে তার সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এই মহামারি অগ্রগতির ওপর মারাত্মকভাবে বাধার সৃষ্টি করেছে। অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে একটি বৃহত্তর প্রণোদনা প্যাকেজ চালু করা হয়েছে।
আসেম ভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে অষ্ট্রেলিয়া, ভারত, জার্মানি, স্পেন, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, থাইল্যান্ড, জাপান, চীন, মিয়ানমার ইন্দোনেশিয়া এবং সিঙ্গাপুরের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন।
এশিয়া-ইউরোপ মিটিং (আসেম) একটি আন্তঃসরকারি প্রক্রিয়া যা ১৯৯৬ সালে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সংলাপ ও সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। খবর বাসস।

 

 

/এসটি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
আর্জেন্টিনাকে স্তব্ধ করে বড় অঘটন চায় কেপ ভার্দে
আর্জেন্টিনাকে স্তব্ধ করে বড় অঘটন চায় কেপ ভার্দে
জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে গায়ে আগুন দিয়ে ব্যক্তির মৃত্যু
জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে গায়ে আগুন দিয়ে ব্যক্তির মৃত্যু
ব্রাজিলের পর ফ্রান্সের প্রশংসা করলেন আর্জেন্টিনা কোচ
ব্রাজিলের পর ফ্রান্সের প্রশংসা করলেন আর্জেন্টিনা কোচ
ঋণের কিস্তির চাপ সইতে না পেরে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা
ঋণের কিস্তির চাপ সইতে না পেরে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা
সর্বাধিক পঠিত
খামেনির শেষ বিদায়: চার মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো মরদেহ
খামেনির শেষ বিদায়: চার মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো মরদেহ
এমপি মনির বক্তব্য ‘ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান’ ছাত্রদল সভাপতির
এমপি মনির বক্তব্য ‘ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান’ ছাত্রদল সভাপতির
৫৪ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ঐকমত্যে সরকার-বিরোধী দল: চিফ হুইপ 
৫৪ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ঐকমত্যে সরকার-বিরোধী দল: চিফ হুইপ 
অবশেষে খুলছে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর 
অবশেষে খুলছে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর 
আমেরিকার জনপ্রিয় ‘টুডে শো’ মাতালেন সানজয় ও নোরা ফাতেহি
আমেরিকার জনপ্রিয় ‘টুডে শো’ মাতালেন সানজয় ও নোরা ফাতেহি