behind the news
IPDC  ad on bangla Tribune
Vision  ad on bangla Tribune

সিটি করপোরেশনে মশা বিষয়ক কোনও বিশেষজ্ঞ নেই: প্রফেসর খান হাবিবুর রহমান

ওমর ফারুক১২:৩৫, মার্চ ১৮, ২০১৬

খান হাবিবুরমশা সংক্রান্ত কোনও বিশেষজ্ঞ নেই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে। অতীতে একজন কীটতত্ত্ববিদ ছিলেন। এখন ওই পদে একজন ডাক্তারকে বসানো হয়েছে। এ কারণে বিষয়টা তারা ভালভাবে দেখভাল করতে পারছেন না। মশক নিয়ন্ত্রণ বা এ সংক্রান্ত কাজে বিশেষজ্ঞদের কোনও পরামর্শ নেয় না সিটি করপোরেশন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলা ট্রিবিউনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কথাগুলো বলেছেন বাংলাদেশ প্রাণিবিজ্ঞান সমিতির সভাপতি প্রফেসর খান হাবিবুর রহমান।
প্রফেসর খান হাবিবুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন একই ওষুধ ব্যবহার করার ফলে মশার রেজিসট্যান্স (প্রতিরোধ ক্ষমতা) গ্রো করেছে (বেড়েছে)। যেমন, বাসায় অ্যারোসল ব্যবহার করার পর দেখবেন ১৫-২০ মিনিট মশা নেই। এরপর দেখা যায় মশারা আবার এসেছে। অর্থাৎ অ্যারোসলে মশারা প্রথমে পড়ে যায়। এরপর আবারও উড়তে পারে। মূল কথা হল, যে ডোজে আমরা ওষুধ দিচ্ছি সেই ডোজ মশাদের রেজিসট্যান্স গ্রো করেছে।
তিনি বলেন, এ অবস্থায় আমাদের দেশে ব্যবহৃত ওষুধের ডোজ যদি বাড়ানো হয় তাহলে তা আবার মানুষ ও অন্যান্য প্রাণির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। তাই এটা নিয়ে গবেষণা দরকার যে ঠিক কোন ডোজ দিলে মশারা মরবে।
তিনি বলেন, ঢাকা ইউনিভার্সিটি ও জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি এ ধরনের গবেষণা করছে। কিন্তু পর্যাপ্ত ফান্ডের অভাবে ওই গবেষণা বেশি দূর এগুতে পারছে না। ফান্ড দিয়ে এ বিষয়ে আরও ব্যাপকভাবে গবেষণা করা দরকার। ইউনিভার্সিটি ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে গবেষণা করতে পারলে এ বিষয়ে অনেক কিছুই করা যেত।



প্রফেসর খান হাবিবুর রহমান বলেন, মশার উৎপাত থেকে মানুষকে রেহাই পেতেই হবে। কারণ মশা থেকে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রকম রোগ হয়ে থাকে। সমন্বিত পদক্ষেপ নিলে স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এই মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তিনি বলেন, মশা মারতে আমাদের লার্ভিসাইডিংয়ের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। অর্থাৎ সবার আগে মশার প্রজননস্থল পুরোপুরি ধংস করতে হবে। ডাস্টবিন, ড্রেন, ময়লা পানি ও বদ্ধ জলাশয় ভালভাবে পরিষ্কার করতে হবে। কিউলেক্স ও অ্যানোফিলিস জন্মায় বদ্ধ ও নোংরা পানিতে। আর ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস জন্মায় পরিষ্কার পানিতে। মশক নিধনে নাগরিকদেরও সচেতন হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি জানান, আমাদের দেশে অনেক ধরনের মশা আছে। তবে বেশি ক্ষতিকর হল কিউলেক্স, অ্যানোফিলিস ও এডিস।

প্রফেসর খান হাবিবুর রহমান বলেন, প্রতি বছর আমরা মশা নিয়ে সেমিনার-সিম্পোজিয়াম করি। সরকারকে পরামর্শ দিই। এবারও আমরা এ বিষয়ে একটা সেমিনার করতে চাই।

/ওএফ/টিএন/আপ-এজে/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

IPDC  ad on bangla Tribune
টপ