behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

বাংলা ট্রিবিউনকে কারা মহাপরিদর্শকইনোসেন্ট বন্দিরাই কারাগারে মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন

আমানুর রহমান রনি০৭:৪৯, এপ্রিল ০২, ২০১৬

কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীনঅপরাধীরা কারাগারে মোবাইল ফোন প্রবেশ করালেও তা তাদের নিজেদের কাছে রাখেন না। যেসব বন্দিদের আমরা ইনোসেন্ট হিসাবে জানি, তাদের কাছেই অপরাধীরা মোবাইল ফোনটি রাখেন। এসব ইনোসেন্ট বন্দিরাই কারাগারে মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। এমনকি তারা ব্যবসাও করেন। যেমন একজনকে দুই মিনিট কথা বলিয়ে দেওয়া বাবদ তার কাছ থেকে দুইশ’ থেকে চারশ’ টাকা নেওয়া হয়। দেখা যায়, আমরা  জেলগেটে মোবাইল ফোন আটকাচ্ছি, ৫০ টা ধরতে পারছি, হয়তো দুই-একটা ভেতরে চলে যেতে পারে। এটা অস্বীকার করা যাবে না। কারাগারের অনিয়মের সঙ্গে অন্যসব গোয়েন্দারাও জড়িত।
বাংলা ট্রিবিউনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাতকারে কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন এসব কথা বলেন। এছাড়াও কারাগারের বিবিধ অনিয়ম, সঙ্কট ও সীমাবদ্ধতার বিষয়ে বাংলা ট্রিবিউনের বিভিন্ন প্রশ্নের খোলামেলা জবাব দিয়েছেন তিনি। যা পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো: 

বাংলা ট্রিবিউন: বিভিন্ন আইন- শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়,কারাগারে থাকা সন্ত্রাসীরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। তারা মোবাইল ফোনেই হত্যা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরণের অপরাধ কর্মকাণ্ডের নির্দেশ দিয়ে থাকেন। 

কারা মহাপরিদর্শক: বিষয়টি সঠিকভাবে আমার জানা নেই। ওনারা সরাসরি মোবাইলে কথা বলা শুনেছেন কিনা? যদি শোনেন যে, একজন সন্ত্রাসী কোনও হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন। তাহলে তা জানার পরও তারা প্রতিহত করেন না কেন? আর যদি কাউকে আটক করার পর তাদের স্বীকারোক্তি থেকে পুলিশ জানতে পারে যে, কারাগারে থাকা সন্ত্রাসীদের নির্দেশে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তাহলে তা ভিন্ন কথা। কারণ অপরাধীরা কারাগারে থাকলেও পুলিশের গাড়িতে করে তাদের আদালতে আনা নেওয়া করা হয়। মামলায় তাদের হাজিরা দিতে হয়। আদালতে যাওয়ার পথে এবং আদালতে তারা পুলিশের সামনেই কথা বলেন। হয়তো তখনও তারা নির্দেশনা দিতে পারেন। এটাও ঘটতে পারে। এর আগে প্রিজন ভ্যান থামিয়ে সড়কে সন্ত্রাসীদের কথার বলার সুযোগ করে দিতে দেখা গেছে। এর দায় কে নেবে? 

কাশিমপুর কারাগারের বিষয়ে এই অভিযোগ বেশি শোনা যায়। কিন্তু আমি কাশিমপুরে মাঝেমাঝে জেলার ও সুপারদের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার চেষ্টা করি। কিন্তু সংযোগ পাওয়া যায় না। কখনও সংযোগ পেলেও তাদের কথা বোঝা যায় না। তাই তাদের সঙ্গে ল্যান্ড ফোনেই আমাকে কথা বলতে হয়। তবে কারাগারের ভেতরে সন্ত্রাসীরা একেবারে যে মোবাইলে কথা বলেন না, বা মোবাইল ঢোকানোর চেষ্টা করেন না। এমনও নয়। পুরোপুরি অস্বীকার করা যাবে না। কেউ কেউ মোবাইল ব্যবহারের চেষ্টা করেন। আমরা এরকম ধরেছি। কিন্তু আমি যদি ৫০ টা ধরি, দুই একটা ঢুকতেই পারে। আমরা সব যে ধরতে পারি তাও না। আমাদের উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন সেটগুলো বেশিরভাগই পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। যারা মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, তারা নিজেদের কাছে রাখেন না। আমরা যে বন্দিটিকে সবচেয়ে ইনোসেন্ট ভাবি, তার কাছেই এসব জমা রাখা হয়। তিনি সেই ইনোসেন্টের সুযোগ নিয়ে হয়তো মোবাইল ফোনে কলের ব্যবসাও করছেন। হয়তো কোনও বন্দি দুইমিনিট কথা বললেন, তার কাছ থেকে চারশ টাকা নেওয়া হলো। 

কারা মহাপরিদর্র্শকের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করছেন বাংলা ট্রিবিউনের রিপোর্টর আমানুর রহমান রনিবাংলা ট্রিবিউন: কারাগারে মোবাইল জ্যামার ব্যবহৃত হয় কিনা?

কারা মহাপরিদর্শক: ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ও কাশিমপুরে মোবাইল জ্যামার রয়েছে। তবে মোবাইল জ্যামার ব্যবহার করে শতভাগ কার্যকারিতা পাওয়া যায় না। আমরা যখন মোবাইল জ্যামার কিনেছি, তখনকার ফ্রিকোয়েন্সির চেয়ে এখন হয়তো আরও আপডেট প্রযুক্তি এসেছে। মাঝে মাঝে লোডশেডিং হয়, তখন মোবাইল জ্যামার কাজ করে না।বন্দিরা এই সুযোগটা নিতে পারে।

বাংলা ট্রিবিউন: যারা কারাগারের ভেতরে এধরণের অপরাধ করে থাকেন, তাদের কি কোনও শাস্তির বিধান আছে?

কারা মহাপর্দিশক: আছে, হাজতিদের ডান্ডাবেরি পরানো যায়। কিন্তু ডান্ডাবেরি পরালেতো আবার মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্ন আসবে। কেনও সাতদিনের বেশি ডান্ডাবেরি পরালেন? তখন কই যাবেন? কয়েদিদের কারাগার স্থানন্তর করা হয়। কিন্তু তাদের কই নেবেন। তাদেরতো আবার ঢাকায় হাজিরা দিতে হয়। তাহলে তাদের কতদূরে নিয়ে যাবেন? তারা যখন আদালতে যায় পুরানো জুতা পড়ে যায় এবং আদালতে এসে নতুন জুতা পড়ে।অনেক সময় তারা জুতার ভেতরে মাদক নিয়ে কারাগারে ঢোকে।

বাংলা ট্রিবিউন:কারাগারে মাদকের অবাধ ব্যবহার হয়,এমন অভিযোগ রয়েছে।কারাগারে মাদক প্রবেশে কারারক্ষিরাও সহযোগীতা করে থাকেন। মাদক প্রতিহত করতে আপনার কী ধরণের ব্যবস্থা নেন? 

কারা মহাপর্দিশক: কারারক্ষিরা যে একবারে জড়িত না, সেটা আমি বলব।যখন যাকে জড়িত পাওয়া যায়,সঙ্গে সঙ্গে সাসপেন্ড করা হয়, শাস্তি দেওয়া হয়। এরকম কারারক্ষিদের ধরা হয়েছে। গতবছর এই অভিযোগের ভিত্তিতে দুইজন কারারক্ষিকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।কাশিমপুরেও এরকম শাস্তি দেওয়া হয়েছে। কারাগারে অবাধ মাদক ব্যবহারের কথা বলা হয়।কিন্তু আমাদের কারাগারে দশ শতাংশ মাদকাসক্ত বন্দি রয়েছেন। আমার ধারণা এ সংখ্যা আরও বেশি হবে। তবে ধরে নেই দশ শতাংশ। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে যদি আট হাজার বন্দি থাকেন এর মধ্যে ৮শ’ বন্দি মাদকাসক্ত। অন্যান্য দেশে এই হার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ। যিনি মাদকাসক্ত তিনি মাদক গ্রহণ করবেনই। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে, যাতে করে মাদকাসক্তি বন্ধ করা যায়।বন্দিদের মধ্য থেকে ভালো বন্দিদের গোয়েন্দা হিসেবে নিয়োগ দেই। তাদের কাছ থেকে সঠিক তথ্য নিয়ে তারপর ধরি। বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যে আমাদের কাজ করতে হচ্ছে। তারা কমোডের ভেতরে,এমনকি স্যুয়ারেজ লাইনের ভেতরেও লুকিয়ে রাখে। 

বাংলা ট্রিবিউন: তাহলে কীভাবে মাদক প্রতিহত হবে?

কারা মহাপরিদর্শক: কেরাণীগঞ্জের কারাগারটিতে যেতে পারলে হয়তো বা এ সমস্যা কিছুটা হ্রাস পাবে। ঢাকার যে অবস্থা, প্রতিটি রুম ভাঙ্গা, দেয়াল ভাঙ্গা কোথায় লুকিয়ে রাখে তা আপনি খুঁজে পাবেন না। কেরাণীগঞ্জে নতুন পরিবেশে বন্দিরাও ভালো থাকবেন। এখন হয়তো একটি কক্ষে থাকার কথা ২০ জন কিন্তু থাকছেন ৮০ জন। 

বাংলা ট্রিবিউন: কারাগারকে সংশোধনাগার বলা হয়। আমাদের দেশে কী আদৌ এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়?

কারা মহাপরিদর্শক: আমার একটা ভিশন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। কারাগারকে সংশোধনাগার হিসেবে বাংলাদেশ সরকার এখনও ঘোষণা করেনি। যখনই এটিকে সংশোধনাগার হিসেবে ঘোষণা করা হবে, তখনই জেলার, জেল সুপার হবেন কারেকশন অফিসার। এখানে সাইকোলজিস্ট দিতে হবে। আমরা এখন যেটি করি তাহলো বন্দিদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ ও মোটিভেশনের জন্য কাজ করি। যাতে বন্দিরা ভালো থাকার চেষ্টা করেন। মুক্ত হয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন। সংশোধনাগারে রূপান্তর করে অনেকপদক্ষেপ নিতে হবে।সিরিজ প্রশিক্ষণ দিতে হবে বন্দিদের। আমাদের কর্মকর্তাদেরও প্রশিক্ষণ দিতে হবে। কারণ এর আগে আমাদের কর্মকর্তাদের বন্দি ম্যানেজমেন্টের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু একজন মানুষের বা বন্দির মানসিকতা পরিবর্তনের প্রশিক্ষণ নেই। যখনই অফিসিয়ালি সংশোধনাগার ঘোষণা করা হবে,তখন আমাদের কার্যক্রম আরও বাড়বে। বাইরের দেশের মত। আমরা একটা লক্ষ্য নিয়ে অগ্রসর হচ্ছি। আমরা এই জন্য কারাগারকে সংশোধনাগার হিসাবে স্লোগান দিয়েছি। 

বাংলা ট্রিবিউন:কারাগারের খাবারের মান নিয়েও প্রশ্ন আছে, অভিযোগ আছে। 

কারা মহাপরিদর্শক: কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমি নিজেও পত্রিকায় দেখেছি। এগুলো অনেকটা গতবাঁধা লেখা। আমরা হাসপাতালেও দেখি মানসম্মত খাবার নেই।আসলে সেই মানটা কী? খাবার ভালো হয়নি। আপনি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন তখনও প্রশ্ন ছিল হোস্টেলে মানসম্মত খাবার ছিল না। এখানে তো বন্দি। ছাত্র হিসেবে আপনার অনেক বেশি ক্ষমতা ছিল। আন্দোলন করার ক্ষমতা ছিল। অনেক অধিকার ছিল। কিন্তু তখনও বলেছেন মানসম্মত খাবার হয় না। খাবার যেখানেই হবে, সেখানে সবাইকে খুশী করার মত অবস্থা নেই। রান্না বাড়িতেও কোনও কোনও দিন খারাপ হতে পারে। আমরা যেসব জায়গায় অভিযোগ পেয়েছি সেখানে গিয়ে দেখেছি, খাবার মান খুব একটা খারাপ না। প্রতিটি জেলা কারাগার ডিসি, জেলা জজ, মানবাধিকার কর্মী ও বেসরকারি কারা পরিদর্শক পরিদর্শন করেন। ওনাদের কাছ থেকে যে প্রতিবেদন আসে তা ভালোই আসে।আমি সাম্প্রতিক সময়ে বরিশালের একটি অভিযোগ পেয়েছিলাম সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিয়েছি। খাবার মান যদি খারাপই হবে তাহলে বন্দিরা বের হয়ে যাওয়ার সময় ওজন বেশি হয় কিভাবে? 

বাংলা ট্রিবিউন:অপরাধের ধরণপরিবর্তন হচ্ছে।দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীরা দেশের বিভিন্ন কারাগারে রয়েছেন।দেশের কারাগারগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি যথেষ্ট? 

কারা মহাপরিদর্শক:বেশিরভাগ অপরাধী অর্থাৎ দুর্ধর্ষ অপরাধীরা কাশিমপুর, ঢাকা, গাজীপুর ও কেরানীগঞ্জে রয়েছেন। বাকিগুলোতে ধরণের কোনও অপরাধী নেই। আমাদের কারাগারগুলো যথেষ্ট নিরাপদ। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের আশেপাশে অনেক দালাল আছেন, তারা বিভিন্ন ধরণের অপরাধ করেন। তবে কেরানীগঞ্জে চলে গেলে এসব অপরাধ কমে আসবে। সিট বিক্রির বাণিজ্যও আর থাকবে না। 

বাংলা ট্রিবিউন:বন্দিদের জামিন হওয়ার পর পুনরায় গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে জেলে গেটে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া যায়। সাদা পোশাক ও ইউনিফর্ম পরিহিত কারারক্ষিরাও অনেকে এই অনয়িমের সঙ্গে জড়িত। এই অনিয়মের কথা আপনার জানা আছে কিনা? 

কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন-০২কারা মহাপরিদর্শক: দুই একজনের বিষয়ে আমিও জানি। যারা বদলি হয়ে গেছেন। তাদের এখানে একটা সিন্ডিকেট ছিল। অনেকেই এর সঙ্গে জড়িত। এরসঙ্গে প্রশাসনের লোক ও গোয়েন্দারাও জড়িত আছেন। একজন গোয়েন্দা ছিলেন,তার তো নিয়মিত একটা আয় ছিল।সেই আয় বন্ধ হওয়ার পর তিনি একটা রিপোর্ট দিলেন, এখানে সবাই জামায়াত ইসলামের লোক। আমাদের সাধারণ মানুষের মধ্যেও একটা ধারণা আছে যে, উৎকোচ না দিয়ে বন্দি বের হতে পারবেন না। আসলে বিষয়টা এরকম না। জামিন হলে আমরা কাউকে আটকে রাখতে পারব না। সেই অধিকার আমার নেই। ওপরের নির্দেশে দুই-একজনকে আটকের নির্দেশনা আসে। এই  সুযোগটি গোয়েন্দারা নিয়ে থাকেন। তারা কাপড় চোপড় দেখে অবস্থাসম্পন্ন লোকজনকে জেল গেটে আটকের ভয় দেখান। তারপর স্বজনদের কাছ থেকে টাকা আদায় করেন। এটা আমি অস্বীকার করবো না।এর সঙ্গে দালালরাও জড়িত রয়েছেন। 

বাংলা ট্রিবিউন: বন্দিদের সঙ্গে দেখা করানোর কথা বলে ৫শ’ থেকে একহাজার টাকা নেওয়া হয়। এই অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে।এটা বন্ধ হচ্ছে না কেন? 

কারা মহাপরিদর্শক: আপনারা যখন ডাক্তার দেখাতে যান, তখন সিরিয়াল যদি একটু পেছনে থাকে, তখন আপনি তদবির করে হয়তো একটু আগে নিতে চাইবেন। এখানেও এই সুযোগটা কেউ কেউ নেন। তাছাড়া এখানে ৮ হাজার বন্দি থাকেন। অনেক দর্শনার্থী দেখা করতে আসেন। যখন বন্দিদের নাম ধরে ডাকা হয় হয়তো তিনি শুনলেন না। কোনও কাজে ছিলেন। দ্বিতীয়বার আর ডাকার কোনও সুযোগ থাকে না।এ কারণে অনিয়মের সুযোগ হয়। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি অনিয়ম থেকে বের হওয়ার।  

বাংলা ট্রিবিউন: কারারক্ষিরাও মর্যাদা, পদোন্নতি ও সুযোগসুবিধা থেকে বঞ্চিত, এ ব্যাপারে জানতে চাই। 

কারা মহাপরিদর্শক: আসলে তারা বেতন-ভাতা সরকারি নিয়োগ অনুযায়ী পাচ্ছেন । তবে এই মুহূর্তে আমি মনে করি কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের মর্যাদা অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমান নেই। আগে একই মান ছিল। কিন্তু অন্যান্য বাহিনী আপগ্রেড হয়েছে। আমাদেরটি হয়নি। তাই আমরা নিচে পড়ে গেছি। একই বেতন স্কেলে কারারক্ষি ও পুলিশের কনস্টেবল চাকরিতে প্রবেশ করছে। একজন কনস্টেবল যখন চাকরি শেষ করেন তিনি অনেক পদোন্নতি পান। তারা ১৭তম গ্রেডে যোগদান করে নবম গ্রেডে অবসরে যান। কিন্তু কারারক্ষিরা তা পান না। এসব বিষয়ে কারারক্ষিরা বঞ্চিত হচ্ছেন। আমরা আপগ্রেড করার জন্য প্রস্তাব তৈরি করেছি। এটা মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হবে।

ছবি: নাসিরুল ইসলাম



এপিএইচ/

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ