সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অর্থের অভাবে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে বিআরটিসি’র ২১টি ডিপো। আর এই ডিপোই দুর্নীতির একমাত্র কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে। ডিপোর দুর্নীতির মূল হোতা হচ্ছে ডিপোর ম্যানেজার। দুর্নীতি দূর হলেই বিআরটিসি’র উন্নতি হবে।
সোমবার (১১ এপ্রিল) মতিঝিলের বিআরটিসি ভবনে সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। ভারতীয় ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের জন্য (বিআরটিসি) ৬০০ বাস, ৫০০ ট্রাক এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ডিপো ম্যানেজারদের কর্মকাণ্ডে অসন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, অর্থের অভাবে ডিপোগুলোতে বাস মেরামত করা যাচ্ছে না, এ খবর তিনি জানতেন না। ‘একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলবে তা প্রত্যাশিত নয়। এতো খাটাখাটি করছি কিন্তু রেজাল্ট পাচ্ছি না। জনগণ যদি রেজাল্ট না পায়, তাহলে প্রতিষ্ঠানের শুদ্ধতা থাকে না।’
আরও খবর পড়ুন-
পহেলা বৈশাখের আগেই পাট শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
মন্ত্রী কমলাপুর ডিপো ম্যানেজারের বিরুদ্ধে আনা একটি আভিযোগ পড়ে শোনান। তিনি ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত করার জন্য বিআরটিসি’র চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন। যদি তদন্ত প্রতিবেদন সন্তোষজনক না হয় দুদক দিয়ে তদন্ত করাবেন বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের দুর্নীতির সব দায়ভার আমার ওপর বর্তায়। এটা আমি হতে দিতে পারি না।’
ঢাকা মহানগরীতে চলাচলরত বিভিন্ন বিআরটিসি বাসের অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্নতা ও অব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অনেক গাড়িতে ফ্যান, লাইট নেই। মহিলাদের উঠতে দেয় না। সকালের দিকে দু’একটি ট্রিপ দিয়ে বিকালে ইজারাদারদের হাতে তুলে দেয় ডিপো ম্যানেজাররা। সব সমস্যা ডিপোর মধ্যে। এটা হতে দেওয়া হবে না। কেউ বিআরটিসিকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করলে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্ত্রী কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় দুটি বিআরটিসি বাস দেওয়ার জন্যও চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন। সূত্র: বাসস।
আরও খবর পড়ুন-
প্রচণ্ড গরমে পুড়ছে দেশ: দরকার সচেতনতা
/এফএস/








