৩০ অক্টোবর ‘কর দিবস’

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০৩:২২, জুন ০৩, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ০৩:২৬, জুন ০৩, ২০১৬

বাজেটপ্রস্তাবিত নতুন অর্থ বাজেটে অপরিবর্তনীয় ডেডলাইন করার প্রস্তাব করা হয়েছে—যা ‘কর দিবস’ নামে অভিহিত হবে। এই তারিখটি হবে ৩০ অক্টোবর। তবে সেদিন সরকারি ছুটি হলে পরবর্তী কার্যদিবসকে কর দিবস হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব করা হয়।
এর ফলে আগামীতে ৩০ অক্টোবরের মধ্যেই আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে।  বৃহস্পতিবার (২ জুন) জাতীয় সংসদে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেট পেশকালে অর্থমন্ত্রী এ প্রস্তাব দেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রস্তাব করছি যে, করদাতার জন্য রিটার্ন দাখিলের একটি অপরিবর্তনীয় ডেডলাইন থাকবে, যা ‘কর দিবস’ নামে অভিহিত হবে। সাধারণভাবে ৩০ অক্টোবর হবে ‘কর দিবস’। তবে ৩০ অক্টোবর সরকারি ছুটির দিন হলে ‘কর দিবস’ হবে তার পরবর্তী কার্যদিবস।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে কোম্পানি ব্যতীত অন্যান্য করদাতার জন্য রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর। কিন্তু প্রতি বছরই রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ানো হয়। করদাতাগণ প্রতি বছরই সময় বাড়বে বলে ধরে নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করা থেকে বিরত থাকেন। এর ফলে কর নির্ধারণ ও রাজস্ব আহরণ কার্যক্রম পিছিয়ে যায়।’ ‘কর দিবস’ প্রবর্তনের ফলে দেশের কর পরিপালন সংস্কৃতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী।

বাজেট বক্তৃতায়, রিটার্ন দাখিলের আওতা সম্প্রসারণ করে সব সমবায় সমিতি, কর অব্যাহতি প্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত কর হারের সুবিধা ভোগকারী করদাতা, কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার কর্মচারী, কোম্পানি বা গ্রুপ অব কোম্পানিজের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ফার্মের সকল অংশীদার এবং ১৬ হাজার টাকা বা তার অধিক বেতন স্কেলভুক্ত সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মচারির জন্য রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত হারে করযোগ্য সত্তা রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর বছরে অব্যাহতি সুবিধা না দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বাজেট প্রস্তাবে।

আরও পড়ুন: কালো টাকা প্রসঙ্গে নীরব অর্থমন্ত্রী

/জিএম/ এসএ/এপিএইচ/

লাইভ

টপ