রামকৃষ্ণ মিশনে হুমকিদাতার নাম মিললেও হাতের লেখা মিলছে না

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০১:১৯, জুন ২২, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ০২:৩২, জুন ২২, ২০১৬

হুমকিরামকৃষ্ণ মিশনের প্রধান ধর্মগুরুকে হত্যার হুমকি দিয়ে পাঠানো চিঠিতে ঠিকানা অনুযায়ী সেই এবি সিদ্দিককে পেয়েছে পুলিশ। তবে তার হাতের লেখার সঙ্গে চিঠির লেখার কোনও মিল পাওয়া যাচ্ছে না।  পুলিশ ধারণা করছে, ব্যবসায়ী এবি সিদ্দিককে ফাঁসানোর জন্য কেউ এই ষড়যন্ত্র করেছে। ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে কার কার শত্রুতা আছে, তা খতিয়ে দেখে অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
মঙ্গলবার রাতে ওয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিহাদ হোসেন বলেন, চিঠির হাতের লেখার সঙ্গে এবি সিদ্দিকের হাতের লেখার কোনও মিল নেই। তাকে ফাঁসাতেই এ হুমকি দেওয়া হয়েছে। হুমকিদাতাকে শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বহিনী কাজ করে যাচ্ছে। ঘটনার পর এবি সিদ্দিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাতেও নিশ্চিত হওয়া গেছে তিনি হুমকিদাতা নন।
পুলিশ জানায়, গত রবিবার ওই ব্যবসায়ী নিজেই ওয়ারী থানায় লিখিত জবানবন্দি দিয়েছেন। তাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তবে এটা নিশ্চিত ওই ব্যক্তি হুমকি দাতা নন। এর আগে চিঠিগুলোতে কখনও এভাবে নাম দিয়ে হুমকি দেওয়া হতো না।

এবি সিদ্দিক তার জবানবন্দিতে কী বলেছেন?—এমন প্রশ্নের জবাবে ওয়ারী থানা পুলিশ জানায়, প্রথমেই তিনি তার ঠিকানা ও পেশা লিখেছেন। তিনি একজন ব্যবসায়ী। তিনি রাজধানীর উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। গ্রামের কেউ শত্রুতা করে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুন ডাকযোগে পাঠানো একটি চিঠিতে রামকৃষষ্ণ মিশনের প্রধান ধর্মগুরুকে হত্যার হুমকি দেয়। ওই চিঠিতে এবি সিদ্দিকের নাম লেখা ছিল। চিঠির ওপরের অংশে কম্পোজ করে বড় অক্ষরে লেখা ছিল, ‘ইসালামি এস্টেট অব বাংলাদেশ (আইএস) (গোপন এজেন্ট)।’ তার নিচেই ছোট করে ঠিকানা লেখা ছিল, ‘চান্দনা চৌরাস্তা, ঈদগাহ মার্কেট, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর।’

চিঠি পাওয়ার পর রামকৃষষ্ণ মিশনের পুরোহিত মৃদুল মহারাজ নিরাপত্তা ওয়ারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর মিশনের নিরাপত্তা বাড়ায় পুলিশ।

আরও পড়তে পারেন: আড়ালেই থেকে যাচ্ছে ‘ক্রসফায়ারে’র মূল গল্প

/এআরআর/এমএনএইচ/

লাইভ

টপ