Vision  ad on bangla Tribune

জঙ্গি রাজীব গান্ধী আট দিনের রিমান্ডে

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট১৮:৩৫, জানুয়ারি ১৪, ২০১৭

জঙ্গি জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী

নব্য জেএমবির শীর্ষ নেতা ও গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধীর (৩৩) আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

গুলশান হামলা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে শনিবার বিকালে রাজীব গান্ধীকে আদালতে হাজির করে দশ দিনের রিমান্ড চান তদন্ত কর্মকর্তা ও কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর। শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর হাকিম মাহমুদুল হাসান তার আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মহানগর আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) ফরিদ মিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

শুক্রবার রাতে তাকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে গ্রেফতার করা হয় রাজীব গান্ধীকে। গুলশান হামলা ছাড়াও উত্তরবঙ্গে বিভিন্ন ব্যক্তির ওপর হামলাসহ ২২টি হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে সে জড়িত। 

সিটিটিসি’র প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেছেন, ‘গুলশান ও শোলাকিয়া হামলায় সে জঙ্গি সরবরাহ (রিক্রুট) করেছিল। গুলশান হামলায় অংশগ্রহণকারী মো. খায়রুল ইসলাম পায়েল ওরফে বাঁধন ও মো. শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল ওরফে বিকাশকে নব্য জেএমবিতে সে রিক্রুট করে। গুলশান হামলার জন্য তাদের নির্বাচিত করে ঢাকায় পাঠায় সে। গুলশান হামলার সময় সে পরিবার নিয়ে বসুন্ধরার একটি বাসায় এক সপ্তাহ ছিল। ওই বাসায় বসেই গুলশান হামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয় বলে বাসাটিকে ‘অপারেশনাল হাউজ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সিটিটিসির গোয়েন্দারা। হামলার পর সে বসুন্ধরার ওই বাসা ছেড়ে গোপনে শেওড়াপাড়ার একটি বাসায় আত্মগোপন করে। এছাড়াও শোলাকিয়া হামলায় জড়িত শফিউল ইসলাম ওরফে ডনকেও সে প্রস্তুত করে পাঠিয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘নব্য জেএমবির প্রধান তামিম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ ছিল রাজীব গান্ধী। তার গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধায়। নব্য জেএমবিতে যোগদানের আগে সে জেএমবির শূরা সদস্য ডা. নজরুল ইসলামের সহযোগী হিসেবে জেএমবির কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল।’

গুলশান হামলার বিষয়ে তার কাছ থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলেও জানান তিনি।

/এসআইটি/এআরআর/টিএন/

আরও পড়ুন: পাচক থেকে শীর্ষ জঙ্গি নেতা

samsung ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ