Vision  ad on bangla Tribune

স্তন্যদায়ী দুই নারীকে জোর করে আটক: ওসি-এসআইকে হাইকোর্টের তলব

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট১৭:৩৫, মার্চ ২১, ২০১৭

বিনা অভিযোগে দুই নারীকে তাদের শিশুসন্তানের কাছ থেকে আলাদা রেখে থানায় আটকে রাখার অভিযোগে মাদারীপুরের এক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও এক এসআইকে আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মাহমুদ উল্লাহর বেঞ্চ মঙ্গলবার (২১ মার্চ) এ আদেশ দেন।
আগামী ২৯ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় উক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল মোর্শেদ ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাহাতাবকে আদালতে এসে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। একই সঙ্গে বিবাদীদের কর্মকাণ্ডকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
শিশু হত্যাচেষ্টা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে সোমবার (২০ মার্চ) জনস্বার্থে রিট করেন রানা কাওসার। তার অভিযোগে বলা হয়, জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদের জের ধরে মাদারীপুর থানায় ১৩ ঘণ্টা আটক ছিলেন জুনু বেগম ও আকলিমা বেগম নামে দুই নারী। তাদের যথাক্রমে ৩ মাস ও ১৮ মাসের একটি করে শিশুসন্তান আছে।
মায়েদের কাছ থেকে আলাদা রাখার মাধ্যমে দুই শিশুকে হত্যাচেষ্টার অপরাধ ঘটেছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলে মনে করেন রিটকারী আইনজীবী। তার পক্ষে মঙ্গলবার শুনানিতে অংশ নেন জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ফওজিয়া করীম।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রানা কাওসার সাংবাদিকদের বলেন, ‘১২ মার্চ মাদারীপুরের লক্ষ্মীগঞ্জে বিরোধপূর্ণ একটি জমির তদন্তে গিয়েছিলেন সদর থানার এসআই মাহতাব হোসেন। এ সময় পাশের বাড়ির খালেক বেপারীর ছেলে পনির হোসেনের কাছে মামলা সংক্রান্ত বিষয় জানতে চাইলে পনির কিছু জানাতে অস্বীকৃতি জানান। এ পরিস্থিতিতে এসআই মাহতাব ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে থাপ্পড় দেন। এনিয়ে বাক-বিতণ্ডার এক পর্যায়ে সদর থানা থেকে তিন গাড়ি পুলিশ নিয়ে পনিরের বাড়িতে ব্যাপক তাণ্ডব চালান মাহতাব। এক পর্যায়ে পনিরের স্ত্রী ও ভাবিকে টেনে-হিঁচড়ে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। পরে রাত ১২টার দিকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে সাদা কাগজে মুচলেকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনা হয়।
/এমটি/ইউআই/জেএইচ/

 

লাইভ

টপ