behind the news
Vision  ad on bangla Tribune

দুদক কেন ল্যাবএইড-এ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট১৯:৫২, মে ১৯, ২০১৭

ল্যাবএইড হাসপাতালঅবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগের ভিত্তিতে ল্যাবএইড গ্রুপের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কী, তা বলতে রাজি হননি দুদক কর্মকর্তারা। এদিকে ল্যাবএইড কর্তৃপক্ষের দাবি, রোগীদের ছোটখাটো কিছু অভিযোগের কারণে বেশকিছু হাসপাতালে দুদক অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ল্যাবএইড-এ এসেছিলেন দুদক কর্মকর্তারা।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৭ মে) দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল ধানমণ্ডিতে ল্যাবএইড হাসপাতালের শীর্ষ কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করছেন তারা। ল্যাবএইড-এর শীর্ষ কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বেশকিছু কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো দেখাতে না পারায়, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দুদক কর্তৃপক্ষের কাছে সেসব কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়। তবে অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কী, তা বলতে রাজি হননি দুদক কর্মকর্তারা।
ল্যাবএইড কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় সেখানে উপস্থিত থাকা দুদকের উপ-পরিচালক শামসুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘আমাদের কাছে ল্যাবএইড-এর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ‘অ্যাসেট’ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। সেটা ধরেই দুদকের অনুসন্ধান চলছে।’’

তিনি আরও জানান, তাদের (ল্যাবএইড) কাছে কিছু পেপারস চাওয়া হয়েছে। সেগুলো আগামী সাত দিনের মধ্যে দুদকে জমা দিতে বলা হয়েছে।

ল্যাবএইড-এর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তাদের (ল্যাবএইড) বিরুদ্ধে অনেকগুলো  অভিযোগ রয়েছে। এরমধ্যে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগও আছে। ল্যাবএইড-এর পাঁচ জন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের কাছে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে।’

দুদকের জিজ্ঞাসাবাদের সময় ল্যাবএইড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এম এ শামীম, চিফ অপারেটিং অফিসার আল এমরান চৌধুরী এবং উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) মনজুর উল মোল্লাহ উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন ল্যাবএইড হাসপাতালের করপোরেট কমিউনিকেশন বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার সাইফুর রহমান লেনিন।

ল্যাবএইড-এর পক্ষ থেকে সাইফুর রহমান লেনিন বলেন, ‘রোগীদের ছোটখাটো কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে বেশকিছু হাসপাতালে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে দুদক। এরই অংশ হিসেবে আমাদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তারা কথা বলেছেন।’

কোনও কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কিছু পেপার্স তারা চেয়েছেন। সেগুলো আমরা যথাসময়ে উপস্থাপন করবো।’

/আরজে/ এপিএইচ/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ