লা মন্ড পত্রিকায় 'ঢাকা লিট ফেস্ট'

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২৩:২০, নভেম্বর ১২, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:২২, নভেম্বর ১২, ২০১৭

সাহিত্যের রাজধানী ঢাকা শিরোনামে গত ৩ নভেম্বর ফ্রান্সের শীর্ষ দৈনিক লা মন্ড-এ প্রকাশিত হয়েছে ঢাকা লিট ফেস্ট-২০১৭ এর সংবাদ।  ফ্লরেন্স নইভিল ঢাকা লিট ফেস্ট বিষয়ক প্রতিবেদনটি তৈরি করেন। বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য প্রতিবেদনটি অনুবাদ করেছেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক  কায়সার হক। প্রতিবেদনটি বাংলা ট্রিবিউনের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

 দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় সাহিত্য উৎসব ঢাকা লিট ফেস্টের বয়স মাত্র সাত বছর। আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে অনুষ্ঠিতব্য এই উৎসব শুধু ক্রমবর্ধমান দর্শকেই সীমাবদ্ধ নয়,বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বনামধন্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এদের মধ্যে এই বছর অংশ নিচ্ছেন আদোনিস, লিওনেল শ্রিভার, বেন ওক্রি, শশী থারুর এবং অভিনেত্রী টিল্ডা সুইন্টন। এই উৎসবে টিল্ডা সম্মাননা জানাবেন ২ জানুয়ারি প্রয়াত ব্রিটিশ লেখক জন বারজারকে।

ঢাকা লিট ফেস্ট তথা ডিএলএফ কোনও সাধারণ উৎসব নয়। যে দেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে পাঠকের সংখ্যা খুবই নগণ্য,যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মেনে নেওয়া হয়না,যেখানে ধর্মীয় মৌলবাদীরা ব্লগারদের প্রতিনিয়ত হুমকি দেয় সেখানে এই সাহিত্য উৎসব একটি কণ্ঠস্বর বলা চলে। চলতি বছর মিয়ানমার থেকে আগত বিপুল পরিমাণ রোহিঙ্গা শরণার্থী সাহিত্যের এই উৎসবে একটি নতুন বিষয়বস্তু যোগ করেছে, আর তা হলো বিশ্বব্যাপী দেশান্তর।

বাংলাদেশিদের কথা

ডিএলএফ’র পরিচালকবৃন্দ কাজী আনিস আহমেদ, কবি আহসান আকবার এবং তরুন উদ্যোক্তা সাদাফ সায্‌ এক বার্তায় জানিয়েছেন,‘বাংলাদেশে আমাদের চার লাখ শরণার্থীকে জায়গা করে দিতে হয়েছে,অথচ আমরা খুব ধনী কোনও রাষ্ট্র না। এটি ছিল আমাদের কাছে সামর্থের সংকট। তবুও সম্পূর্ণ মানবিক দৃষ্টি দিয়ে আমরা রোহিঙ্গাদের বিষয়টি দেখেছি। আর এ নিয়ে এখানে বিতর্কের কোনও সুযোগ নেই।’

ইংরেজি সাহিত্যের বিস্তারকে পাশ কাটিয়ে,বাংলা সাহিত্যকে প্রাধান্য দিয়ে যাচ্ছে এই উৎসব। ধীরে ধীরে উৎসবটি পশ্চিমা প্রকাশকদের একটি কৌতূহলের জায়গা হিসেবে আবির্ভাব ঘটছে। তার প্রমাণ কিছু ফরাসি অনুদিত প্রকাশনায় যেমন; কায়সার হক (ক্যারেক্টেরেস), জিয়া হায়দার রহমান ( ক্রিশ্চিয়ান বরজিস), সাদ জেড হোসেন ( আগুলো), তাহমিমা আনামের হোজ লেস ভ্যাসিক্স ফ্রেরেস ( সোফি ব্যাস্টাইড ফোল্টজের ইংরজি থেকে অনুবাদ করা)। এতেই প্রমাণিত হয় যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পর বাংলা তার প্রাণবন্ত ঐতিহ্য হারিয়ে যায়নি।     

এফএএন

লাইভ

টপ