জনপ্রিয় লেখকই হতে চেয়েছিলাম: ইমদাদুল হক মিলন

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৬:২৬, নভেম্বর ১৬, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:১০, নভেম্বর ১৬, ২০১৭

আহমাদ মোস্তাফা কামালের সঙ্গে আলাপচরিতায় ইমদাদুল হক মিলনসত্তরের দশকে আমি লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করি। প্রথমে নিজের চেষ্টায়, পরে কবি রফিক আজাদের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত লিখতে শুরু করি। লেখক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পরও জনপ্রিয়তা লাভের জন্য দু’হাতে প্রেমের গল্প লিখেছি। সবসময় জনপ্রিয় লেখকই হতে চেয়েছিলাম। জনপ্রিয়তার ধারা অব্যাহত রাখতে টেলিভিশনে নাটকও লিখেছি।
কথাগুলো বলছিলেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) ‘ঢাকা লিট ফেস্ট ২০১৭’-এর প্রথম দিনের সকালের একটি সেশনে এসব কথা বলেন তিনি।
‘লাইফ ইন লেটার্স’ শীর্ষক সেশনটি সঞ্চালনা করেন আরেক প্রথিতযশা সাহিত্যিক আহমাদ মোস্তাফা কামাল। অক্ষর, শব্দ ও বাক্যের মধ্যে একজন লেখকের জীবনযাত্রা কিভাবে অতিবাহিত হয়, সেশনে সেই বিষয়ে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন জনপ্রিয় এই দুই সাহিত্যিক।
সাক্ষাৎকারের ভঙ্গিতে এ আলোচনায় ইমদাদুল হক মিলন তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো গল্পের ছলে তুলে ধরেন। কিভাবে বিক্রমপুর থেকে ঢাকায় এসে সাহিত্য জীবন শুরু করেন, বর্ণিল শৈশব কিভাবে তার সাহিত্যকে প্রভাবিত করেছে, আলাপচারিতায় উঠে আসে সেসব কথা।
ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘‘ছেলেবেলা থেকেই আমি খুব রোগাপটকা ছিলাম। কখনও খেলাধুলায় ভালো ছিলাম না। এমনকি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও দুর্বল স্বাস্থ্যের কারণে আমাকে নিতে চায়নি। পরবর্তী জীবনে চাকরি, ব্যবসা কোনও ক্ষেত্রেই সফল হতে পারিনি আমি। এমনকি পশ্চিম জার্মানিতে শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখান থেকে কপর্দকহীন হয়ে ফিরে আসি। মূলত, আমার মতো ‘অপদার্থ’ লোকেরাই লেখক হয়।’’
আশি ও নব্বইয়ের দশকে ইমদাদুল হক মিলনের গল্প ও উপন্যাসে ওই সময়ের তরুণ সমাজের চিত্র ধরা আছে বলে মন্তব্য করেন আহমাদ মোস্তফা কামাল। তিনি বলেন, লেখকেরা নিজের সময় ধারণ করার মাধ্যমে চিরকালীন হয়ে ওঠেন এবং আঞ্চলিকতাকে ব্যাখ্যা করে আন্তর্জাতিক হয়ে ওঠেন। লেখক ইমদাদুল হক মিলন এদিক থেকে একজন সফল ও সার্থক লেখক। তিনি ব্যক্তি জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে হয়তো আমরা সফল এক কথাসাহিত্যিক পেতাম না।
আরও পড়ুন-
পর্দা উঠলো লিট ফেস্টের

আদোনিসের হাতে ‘মুজিব’ গ্রন্থ
আমি মানুষের পক্ষের কবি: আদোনিস

বাংলার নারীরা সাহসের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে

/টিআর/

লাইভ

টপ