তীব্র ঠাণ্ডায় অসুস্থ ৯ ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৯ জানুয়ারি ২০১৮, ১২:১৭আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০১৮, ১৫:০১

অসুস্থ এক ইবতেদায়ি শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে রেজিস্ট্রেশন পাওয়া সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে অবস্থান ধর্মঘটের নবম দিন পর্যন্ত ৯ জন শিক্ষক ঠাণ্ডাজনিত অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন। এদের বেশিরভাগই ঠাণ্ডা-জ্বর ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত। বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির মহাসচিব কাজী মোখলেছুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের শিক্ষকরা ঠাণ্ডাজনিত রোগে ভুগছেন। কেউ কেউ তীব্র ঠাণ্ডা থেকে নিউমোনিয়াতেও আক্রান্ত হচ্ছেন। আমরা তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি।’
অসুস্থ শিক্ষকরা হলেন— রংপুরের পীরগঞ্জের হারুনুর রশিদ, সিরাজগঞ্জের বেলকুচির মো রুহুল আমীন, লক্ষীপুরের হবিগঞ্জের আব্দুর রহিম, ময়মনসিংহের বেল্লাল হোসেন, জামালপুরের আসমা, পটুয়াখালীর আল আমিন, ঝিনাইদহের নাছরিন, রংপুরের পীরগঞ্জের শামছুল এবং গাইবান্ধার রইচ উদ্দিন।
উল্লেখ্য, জাতীয়করণের দাবিতে গত ১০ নভেম্বর প্রেসক্লাবে মানববন্ধন করেন ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা। পরে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়ে ৩১ ডিসেম্বর জাতীয়করণের ঘোষণার আল্টিমেটাম দিয়ে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় ১ জানুয়ারি থেকে তারা অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছেন। এদিকে, গতকাল সোমবারের (৮ জানুয়ারি) মধ্যে দাবি আদায় না হলে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে আমরণ অনশনে যাওয়ার ঘোষণা রয়েছে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির নেতাদের।
অবস্থান কর্মসূচি পালনরত শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইবতেদায়ি মাদ্রাসার সব কার্যক্রম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো। কিন্তু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বেতন-ভাতা পেলেও ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা তেমন কিছুই পান না। ফলে ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা অমানবিকতার শিকার। দ্রুত এই অবস্থার পরিবর্তন চান ইবতেদায়ি শিক্ষকরা।

/এসও/টিআর/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ‘ভোট ব্যাংক’ ভাবার ধারণা ভেঙে গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ‘ভোট ব্যাংক’ ভাবার ধারণা ভেঙে গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দুর্ঘটনায় আহত প্রতিমন্ত্রীকে দুই হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে পাঠানো হলো ঢাকায়
দুর্ঘটনায় আহত প্রতিমন্ত্রীকে দুই হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে পাঠানো হলো ঢাকায়
প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে শ্রমিকের অধিকারও নিশ্চিত করা জরুরি: শিমুল বিশ্বাস
প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে শ্রমিকের অধিকারও নিশ্চিত করা জরুরি: শিমুল বিশ্বাস
কারারক্ষী ও আইনজীবীর ছদ্মবেশে প্রতারণা: সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার
কারারক্ষী ও আইনজীবীর ছদ্মবেশে প্রতারণা: সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করায় সাংবাদিকের বাড়িতে এসিল্যান্ডের ‘মাদক উদ্ধারের’ অভিযান
দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করায় সাংবাদিকের বাড়িতে এসিল্যান্ডের ‘মাদক উদ্ধারের’ অভিযান
জামায়াতের বহিষ্কৃত এমপি নজরুল ইসলামকে নিয়ে স্পিকার বললেন, ‘জিএম তো নাই’
জামায়াতের বহিষ্কৃত এমপি নজরুল ইসলামকে নিয়ে স্পিকার বললেন, ‘জিএম তো নাই’
২৮৬ দিন সমুদ্রে থাকা মার্কিন রণতরি দেখে ‘স্তম্ভিত’ পর্যবেক্ষকরা
২৮৬ দিন সমুদ্রে থাকা মার্কিন রণতরি দেখে ‘স্তম্ভিত’ পর্যবেক্ষকরা
ভারতে পৌঁছার আগেই গলে গেলো মোদির জন্য আনা বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার
ভারতে পৌঁছার আগেই গলে গেলো মোদির জন্য আনা বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে নিয়োগ, ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে নিয়োগ, ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন