৩৪ শিক্ষক-কর্মচারীর ৫ মাসের বেতন আটকে রয়েছে

Send
এস এম আববাস
প্রকাশিত : ০৩:০৩, জুন ১৫, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৫১, জুন ১৫, ২০১৮

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার উথুরা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪ শিক্ষক-কর্মচারীর পাঁচ মাসের বেতন আটকে রয়েছে। কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. এবি ছিদ্দিকের অভিযোগ, অতিরিক্ত মেয়াদে নিযুক্ত হওয়ার চুক্তিপত্র হাতে না পাওয়ায় অধ্যক্ষ বেতন আটকে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটিয়েছেন। অধ্যক্ষের আচরণের জন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের পক্ষে তিনি শিক্ষামন্ত্রী বরাবর লিখিত অভিযোগও করেছেন। ঈদের সময় বেতন ও উৎসব ভাতা না পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় মর্মাহত সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীরা। তবে অধ্যক্ষ মুহা. আতাউর রহমান বাংলা টিবিউনকে বলেছেন, ‘আমার কারণে নয়, একজন শিক্ষকের কারণে বেতন তুলতে পারেননি শিক্ষক-কর্মচারীরা। বেতন উত্তোলনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, এখনও একদিন সময় আছে, সবাই বেতন পাবেন।’ শিক্ষা মন্ত্রণালয় সমস্যাটির সমাধানে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডকে চিঠি দিয়েছে।শিক্ষা মন্ত্রণালয়

কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. এবি ছিদ্দিকের অভিযোগ, গত বছর ২৯ ডিসেম্বর অধ্যক্ষ মুহা. আতাউর রহমানের চাকরির মেয়াদ শেষ হয়। মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর জানুয়ারি মাসের বেতন বিল জমা দেন তিনি। কিন্তু ব্যাংক বেতন বিলে তার স্বাক্ষর করাকে অবৈধ হিসেবে বিবেচনা করে বেতন ছাড়ে অস্বীকৃতি জানায়। এদিকে, ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত বেতন বিলে স্বাক্ষর না করে অধ্যক্ষ মুহা. আতাউর রহমান নথিপত্র, চেকবইসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তালা মেরে রেখে দেন। এ সময় তিনি কলেজে যাওয়া-আসা করাও বন্ধ করে দেন। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ৩৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন আটকে যায়।

এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বেতন ছাড়ের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়। উপসচিব মো. কামরুল হাসানের গত ১১ জুন স্বাক্ষরিত পত্রে বলা হয়েছে, বেতন-ভাতা উত্তোলনের ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ দেওয়া হলেও কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা মন্ত্রণালয় জানে না। পত্রে মন্ত্রণালয়কে গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে অবহিত করতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ জুন) অধ্যক্ষ মুহা. আতাউর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘অনেক আগেই ম্যানেজিং কমিটি আমাকে অধ্যক্ষ হিসেবে এক্সটেনশন দিয়েছে। কিন্তু আমাকে চিঠি দিচ্ছে না শিক্ষা বোর্ড। এই সুযোগে একজন শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।’ বুধবার (১৩ জুন) শিক্ষা বোর্ডের কাছ থেকে নিয়োগপত্র পাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘বেতন বিলে স্বাক্ষর করে দিয়েছি। এখন সভাপতির স্বাক্ষর নিয়ে কাল (বৃহস্পতিবার) জমা দিলে, বেতন উত্তোলন করতে পারবেন শিক্ষকরা।

/এএমএ/

লাইভ

টপ