প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে আবেদন ২৪ লাখ, পেছাচ্ছে পরীক্ষার তারিখ

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২১:২৫, অক্টোবর ১০, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৪০, অক্টোবর ১০, ২০১৮

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন এসেছে ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি। অন্যান্য বারের তুলনায় দ্বিগুন আবেদন আসায় সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত করতে চাপে রয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। অক্টোবরে নিয়োগ পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত থাকলেও তা পিছিয়ে নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ (পিইডিপি-৪) আওতাভুক্ত ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। গত ৩০ জুলাই ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১-৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। সারাদেশ থেকে মোট ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন এসেছে।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষ্যে সচিব আকরাম আল হোসেনের সভাপত্বিতে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সে সভায় পরীক্ষাকেন্দ্র বাড়ানো, নিয়োগ পরীক্ষার ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়নসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হলেও পরীক্ষা সংক্রান্ত আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সভায় উপস্থিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এফ এম মনজুর কাদির বুধবার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সভায় নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে সার্বিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। যেহেতু এবার ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২৪ লাখের বেশি প্রার্থী আবেদন করেছে, সেহেতু আমাদের বড় ধরনের প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্র বাড়ানো, নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ পূর্বের ক্রটি-বিচ্যুতিগুলো সংশোধন করে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে। এ কারণে অক্টোবরে পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাবনা থাকলেও তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে দিন তারিখ এখনো ঠিক হয়নি।’

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে সারাদেশে ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এই বিদ্যালয়গুলোতে রেকর্ড সংখ্যাক আবেদন আসায় পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও প্রশ্নফাঁস রোধ করাটা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে পরীক্ষা পদ্ধতিতে কিছুটা পরিবর্তন আনা হতে পারে। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে। ২০টির বেশি  প্রশ্ন সেট তৈরি করা হতে পারে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই মন্ত্রণালয়ের সভায় এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

/আরএআর/এনআই/

লাইভ

টপ