অর্থ আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংকের চার কর্মকর্তার রিভিশান খারিজ

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২১:৩৪, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৩৬, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৮

 

সুপ্রিম কোর্টদুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সোনালী ব্যাংকের নোয়াখালী শাখার চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এই সংক্রান্ত রিভিশনের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল খারিজসহ মামলার ওপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে নেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন, সোনালী ব্যাংকের নোয়াখালীর চরবাটা শাখার সাবেক সিনিয়র অফিসার জাফর উল্লাহ, ফেনী সিলোনিয়া শাখার ক্যাশ অফিসার এম রহমান, কিশোরগঞ্জ প্রিন্সিপাল শাখার ডিজিএম মীর আবদুল লতিফ ও ব্যাংকটির সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার থেকে অবসরে যাওয়া আব্দুল আল মামুন।

আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট ওজি উল্লাহ। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফৌজিয়া আখতার পপি। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না।

এর আগে সোনালী ব্যাংকের নোয়াখালীর চরবাটা শাখার সিনিয়র অফিসার জাফর উল্লাহ, ফেনী সিলোনিয়া শাখার ক্যাশ অফিসার এম রহমান, কিশোরগঞ্জ প্রিন্সিপাল শাখার ডিজিএম মীর আবদুল লতিফ ও  সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার আব্দুল আল মামুন একসঙ্গে সোনালী ব্যাংকের নোয়াখালী শাখায় চাকরিরত অবস্থায় মেসার্স ডলফিন সি ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের স্বত্বাধিকারী নিজাম উদ্দিন ফারুককে  ঋণ দেওয়ার নামে হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করে মানিলন্ডারিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত ও সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অর্জনের মাধ্যমে ব্যাংকের ১ কোটি ৯৭ লাখ ১৬ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাৎ করেন। পরে ওই অভিযোগে সোনালী ব্যাংক নোয়াখালী শাখার ঋণ বিভাগের ইনচার্জ মোস্তফা কামাল ২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল  নোয়াখালী সুধারাম থানায় মামলা শুধু ঋণগ্রহীতাকে আসামি করে মামলা  দায়ের করেন।

এরপর দুদকের উপ-পরিচালক মো. মশিয়ুর রহমান ২০১৬ সালের গত ২৩ অক্টোবর ব্যাংকটির নোয়াখালী শাখার উল্লিখিত চার কর্মকর্তাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলাটিতে গত ৮ জুলাই নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এরপর ওই আদেশের বিরুদ্ধে ব্যাংটির চার কর্মকর্তা হাইকোর্টে আবেদন (ফৌজদারি রিভিশন) করেন। গত ১৪ আগস্ট হাইকোর্ট মামলাটি কেন বাতিল হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন এবং মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত করেন। এরপর মামলার রুলের ওপর হাইকোর্টে শুনানি হয়। ওই শুনানি নিয়ে আদালত এ মামলায় জারি করা রুল খারিজ করেন এবং মামলার কার্যক্রমের ওপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে নেন।

/বিআই/ এমএনএইচ/

লাইভ

টপ