আলোর পথে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ৪০ বছর

বাংলা ট্রিবিউন রপোর্ট
০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:২৫আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:২৫





র‌্যালিতে আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ আলোর পথে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ৪০ বছর পূর্ণ করেছে। ‘আলোকিত মানুষ চাই’ স্লোগানকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটির বর্ষপূর্তি আয়োজনকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালায়। শুক্রবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নিজ ভবনের সামনে র‌্যালির মধ্য দিয়ে বর্ষপূর্তি উদযাপন শুরু হয়।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মনিটরিং কর্মকর্তা বিকাশ চক্রবর্তী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, র‌্যালি ছাড়াও দিনভর বিশেষ সব আয়োজনের মধ্যে থাকছে, দুপুর ১টা পর্যন্ত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে থাকা গুণিজনদের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান। দুপুরের পর হবে দেশবরেণ্য শিল্পীদের দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের র‌্যালি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রটির অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, ‘আমরা একসময় চেয়েছিলাম প্রতিটি মানুষের জীবন উজ্জ্বল হোক, আলোকিত হোক, সুন্দর হোক। যাতে বড় বা সুন্দর কিছু করতে পারে। আমাদের এই দেশ যাতে পৃথিবীর একটা শ্রেষ্ঠ দেশের মর্যাদার মধ্য দিয়ে যেতে পারে সে চেষ্টা সবসময় আমাদের ছিল। তাই সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে না ভেবে কাজ করে গেছি। শুধু আমি একা নই, অনেক মানুষ তাদের শ্রম দিয়ে এর সঙ্গে থেকে কাজ করেছেন। চল্লিশ বছর গেল, কিন্তু এ আলোকিতকরণ চল্লিশ বছরের ব্যাপার না, হাজার হাজার বছরের বিষয়। সামনে আমাদের আনেক চ্যালেঞ্জ, এ নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।’

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের র‌্যালি এদিকে, বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান উপলক্ষে সকাল থেকেই বিভিন্ন রঙের সাজ পোশাকে বই প্রেমিদের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আসতে দেখা যায়। বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে মিল রেখে নানান পোশাকে সজ্জিত এদের সবাই ছিলেন আনন্দমুখর। এরপর র‌্যালি শেষে তারা নির্ধারিত স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন।

অনুষ্ঠানে ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে থাকতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি।’

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের র‌্যালিতে সদস্যরা অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, ‘আমার সঙ্গে কখনও কারও দেখা হলে কেউ যদি বলে সে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে জড়িত, তবে তার দিকে আমি বিশেষ দৃষ্টিতে তাকাই। আমি মনে করি, এখন যারা বই পড়ে না তাদের বলতে হবে, বই পড়ো, নইলে বড় হবে না। একা এ যুদ্ধ করলে হবে না। আমাদের সবাইকে এ যুদ্ধ করতে হবে।’

প্রসঙ্গত, ঢাকা কলেজের শিক্ষক অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ১৯৭৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর ক্ষুদ্র পরিসরে শুরু করেন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের কার্যক্রম। বর্তমানে রাজধানীর বাংলামটরের নিজস্ব ভবন থেকে কেন্দ্রটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

 

/বিআই/আইএ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ইবোলার আতঙ্কের মাঝেও বিশ্বকাপে ইতিহাস কঙ্গোর, উচ্ছ্বাসে ভাসলো বুনিয়া
ইবোলার আতঙ্কের মাঝেও বিশ্বকাপে ইতিহাস কঙ্গোর, উচ্ছ্বাসে ভাসলো বুনিয়া
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সমর্থনকে বয়কটের আহ্বান জানিয়ে নাসিরনগরে বিক্ষোভ
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সমর্থনকে বয়কটের আহ্বান জানিয়ে নাসিরনগরে বিক্ষোভ
কাজুও ইশিগুরোর নতুন উপন্যাস আসছে ২০২৭ সালে, পটভূমি ১৯৩০-এর গুপ্তচরজগৎ
কাজুও ইশিগুরোর নতুন উপন্যাস আসছে ২০২৭ সালে, পটভূমি ১৯৩০-এর গুপ্তচরজগৎ
ব্যাংক খাতে রেড সিগন্যাল, একবছরেই লোকসান ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা 
ব্যাংক খাতে রেড সিগন্যাল, একবছরেই লোকসান ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা 
সর্বাধিক পঠিত
‘বাক্সের কাঁকড়া’: যে কারণে নিজের পরিবারই আপনার উন্নতিতে অখুশি!
‘বাক্সের কাঁকড়া’: যে কারণে নিজের পরিবারই আপনার উন্নতিতে অখুশি!
প্রধানমন্ত্রী পৌঁছানোর আগেই ভেঙে পড়লো সভামঞ্চের প্যান্ডেল
প্রধানমন্ত্রী পৌঁছানোর আগেই ভেঙে পড়লো সভামঞ্চের প্যান্ডেল
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের ৭ দাবির সঙ্গে একমত গভর্নর
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের ৭ দাবির সঙ্গে একমত গভর্নর
অবশেষে মাকে নিয়ে সুখবর পেলেন ভোজিনহা
অবশেষে মাকে নিয়ে সুখবর পেলেন ভোজিনহা
সেই খালেদা রাব্বানীকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী, কথা শুনে আবেগাপ্লুত
সেই খালেদা রাব্বানীকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী, কথা শুনে আবেগাপ্লুত