কোয়ালিটি এডুকেশন ও কারিগরি শিক্ষা অগ্রাধিকার পাবে: শিক্ষামন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২২:৪০, মার্চ ২১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৪৪, মার্চ ২১, ২০১৯

 

বক্তব্য রাখছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিমানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ‘ব্র্যান্ডিং’ করার জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, ‘আমরা মেইড ইন জার্মানি দেখলে নিশ্চিন্তে কোনও জিনিস কিনি অথবা কোনও একজন ননটেকনিক্যাল মানুষও আইফোন বা স্যামসাং প্রায় এক লাখ টাকা দিয়ে বিনা সংকোচে কেনেন। কারণ, তারা ওই পণ্যের কোয়ালিটি সম্পর্কে নিশ্চিত। সেক্ষেত্রে পণ্যের উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান— টেইক মেইন রেসপন্সিবিলিটি টু এনসিউর কোয়ালিটি অব প্রোডাক্টস। আমাদের গার্মেন্টস যেমন সারাবিশ্বে সুনাম অর্জন করেছে। কারণ, সবাই জানে বাংলাদেশের গার্মেন্টস ভালো। এটাই হচ্ছে ব্র্যান্ডিং। ঠিক তেমনি আমরা আমাদের শিক্ষাকে ব্র্যান্ডিং করতে চাই। বাংলাদেশ ও সারাবিশ্বের মানুষ জানবে বাংলাদেশের শিক্ষার মান ভালো। বিদেশ থেকে ছেলেমেয়েরা বাংলাদেশে পড়তে আসবে। তাই আগামী দিনে কোয়ালিটি এডুকেশন এবং কারিগরি শিক্ষা হবে আমাদের অগ্রাধিকার।’

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) রাজধানীর উত্তরায় এক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি) সমাবর্তনটির আয়োজন করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট মো. আবদুল হামিদ মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ডা.দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গত দশ বছরে শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে। তবে শিক্ষার গুণগত মানের উন্নয়নে কাজ করার এখনই উপযুক্ত সময়। আমরা চাই— আমাদের শিক্ষাকে ‘ব্র্যান্ডিং’ করতে। এজন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে ছাত্র-শিক্ষক, অভিভাবক ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।’

ডা. দীপু মনি বলেন, ‘আমাদের ঐতিহ্য জ্ঞান বিতরণ একটি মহৎ কাজ হিসেবে পরিচিত। তাই আমাদের সমাজে শিক্ষকরা পরম শ্রদ্ধার, পূজনীয় ও অনুকরণীয়। কিন্তু, সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষকদের কিছু কর্ম এবং অতিরিক্ত অর্থলোভে সেই ঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যা আমাদের হতাশ করছে। মনে রাখতে হবে অর্থের চেয়ে সম্মান বড়। শিক্ষার বাণিজ্যীকীকরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

আইইউবিএটি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুর রবের সভাপতিত্বে পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। সমাবর্তন বক্তা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচর্য অধ্যাপক ড. আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন।

সমাবর্তনে ৬ হাজার ৮০৪ জন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী তাদের শিক্ষা সমাপনী সনদ নেন। কৃতিত্বপূর্ণ ফল অর্জন করায় সমাবর্তনে ৮ জন গ্র্যাজুয়েটকে ফাউন্ডার মিয়ান স্বর্ণপদক দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, দেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবিএটি শুরু হয়েছিল ১৯৯১ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ও আইবিএর সাবেক পরিচালক শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. এম আলিমউল্যা মিয়ান এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।

 

/এসএমএ/এনআই/

লাইভ

টপ