ডাকসু নির্বাচনের পর্যবেক্ষক শিক্ষকদের কাছে দুঃখ প্রকাশের দাবি

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০১:৩৫, মার্চ ২৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০১:৩৫, মার্চ ২৪, ২০১৯

ডাকসুঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে স্বেচ্ছায় পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপরাধে ব্যবস্থা নিতে উপাচার্যের কাছে দাবি জানিয়েছে প্রভোস্ট কমিটি। এতে ভিন্নমতের সহকর্মীদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষকরা। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি ধিক্কার জানিয়ে অবিলম্বে পর্যবেক্ষক সেই আটজন শিক্ষকের কাছে দুঃখ প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন ৫০ জন শিক্ষক। তা না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নৈতিক পরাজয়ের জের বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও বহু বছর টানতে হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

শনিবার (২৩ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি জানান। ৫০ জন শিক্ষকের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বিবৃতিতে সমর্থন জানানোর কথা নিশ্চিত করেছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘ প্রায় ২৮ বছর পর ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচন আদায় করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অনশন এবং আন্দোলন পর্যন্ত করতে হয়েছে। তাই এ নির্বাচনকে ঘিরে শিক্ষার্থী শুধু নয়, শিক্ষকদের মধ্যেও উদ্দীপনা ও আগ্রহ দেখা গিয়েছিল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দশজন শিক্ষক স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন বলে গণমাধ্যম মারফত আমরা জানতে পারি। এদেরই আটজন শিক্ষক নির্বাচনের দিন সকাল থেকে পর্যবেক্ষণের কষ্টকর দায়িত্ব স্বেচ্ছায় নেন এবং নির্বাচনে তারা যা দেখেছেন তার এক নির্মোহ বর্ণনা বিবৃতি আকারে জাতির সামনে উপস্থাপন করেন। তাদের অভিনন্দন জানাই, প্রতিকূলতার মধ্যেও সততা নিয়ে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য।

পর্যবেক্ষক শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি শিক্ষকদের মর্মাহত করেছে উল্লেখ করে এতে আরও বলা হয়, একদিকে অনিয়ম অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ আর পাহারার মধ্য দিয়ে নির্বাচন শেষ হয়, যাকে প্রশাসন ‘সুষ্ঠু’ বলে দায় সেরেছে। অন্যদিকে নির্বাচনের দিন ছাত্রলীগ ছাড়া অন্য সকল প্যানেল নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচন চেয়েছে। নির্বাচনের পরদিন ছাত্রলীগও নির্বাচনকে ‘প্রহসনের নির্বাচন’ বলেছে। পরে অবশ্য তারা তাদের অবস্থান পাল্টেছে। অথচ আমরা আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করলাম যে, গত ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কমিটির সভা শেষে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্বেচ্ছাসেবী পর্যবেক্ষক দল নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ‘অননুমোদিতভাবে’ বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগ ও প্রচার মাধ্যমে নির্বাচন সম্পর্কে যেভাবে ‘অসত্য তথ্য’ ও ‘বিভ্রান্তি ছড়িয়ে’ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন’ করেছেন, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও নিন্দনীয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপরাধে এই আট শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপাচার্যের কাছে দাবি করেন প্রভোস্ট কমিটি। গণমাধ্যমে এ সংবাদ পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসাবে আমরা মর্মাহত।

সিল দেওয়া ব্যালট রাস্তায় বিছিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন শিক্ষার্থীরাবিবৃতির বিষয়ে সামিনা লুৎফা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অনিয়ম যারা করলেন ও প্রশ্রয় দিলেন সেসব শিক্ষকের বিষয়ে প্রশাসনিক ব্যাবস্থা নেওয়ার বিষয়ে বিবৃতিতে একটি বাক্যও লেখা হয়নি। যে শিক্ষকদের অনিয়মের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদার ক্ষুণ্ন হলো তাদের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত জানানোর দাবি না করে বরং যারা অনিয়ম দেখেছেন, সত্যানুসন্ধানের চেষ্টা করেছেন ও সেই সত্যকে মানুষের কাছে নিয়ে এসেছেন, তাদের শাস্তির দাবি করেছে প্রভোস্ট কমিটি। ডাকসু নির্বাচন নিয়ে প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরার জন্য এই আট শিক্ষক তথা নিজেদের সহকর্মীদের বিরুদ্ধে এরকম দাবি তোলার মধ্য দিয়ে প্রভোস্ট কমিটি তাদের ব্যক্তিস্বার্থ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষাকেন্দ্রিক দলীয় আনুগত্যকে আরও নগ্নভাবে প্রকাশ করলেন। এ প্রভোস্টদেরই অনেকে নির্বাচনের দিন তাদের হলে হলে অনিয়ম বন্ধে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং এটাও স্পষ্ট যে এ কারণেই যারা এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে তারা ব্যাবস্থা নিতে চান! এতে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের বিষয়টা জনপরিসরে আরও স্পষ্ট হয়েছে। আমরা মনে করি এটা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও এর বিরুদ্ধে নিন্দা জানাই। ক্ষমতার দম্ভ থেকে করা এ ধরনের আচরণ, ক্ষমতাসীন শিক্ষকদের কেবল পরাজিতই করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ১৯৭৩ এর আদেশের বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনও শিক্ষকের প্রক্টোরিয়াল ক্ষমতা আছে এবং তা তিনি প্রয়োগ করার অধিকার রাখেন। কাজেই আট শিক্ষকের পর্যবেক্ষণের অধিকার আছে এবং জনগণকে তা জানাবার অধিকারও আছে। এছাড়া চিফ রিটার্নিং অফিসারের কাছ থেকে তারা পর্যবেক্ষণের মৌখিক অনুমতিও পেয়েছিলেন। এক্ষেত্রে তারা অননুমোদিত কোনও কাজ করেননি। যারা ভোট চুরি করলো এবং চুরি করতে সাহায্য করলো তারা বিশ্ববিদ্যলয়ের ও শিক্ষকদের ভাবমূর্তির যে ক্ষতি করলেন তা পঞ্চাশ বছর পরেও জাতি মনে রাখবে। কাজেই আট শিক্ষক পর্যবেক্ষণ করে ভাবমূর্তি নষ্ট করেননি, ভাবমূর্তি আগেই নষ্ট হয়েছিল। অনিয়মের কথা গণমাধ্যমে জানিয়ে তারা বরং ক্ষতিপূরণে প্রশাসনের পক্ষেই কাজ করেছিলেন। তাদের পর্যবেক্ষণ আমলে নিলে পরবর্তী সময়ে প্রশাসনেরই লাভ হতো, সম্মান কিছুটা ফিরতো।

কুয়েত মৈত্রী হলে বস্তা ভর্তি সিল দেওয়া ব্যালট আটক করেছিলেন শিক্ষার্থীরাআশ্চর্যের বিষয় হলো, প্রভোস্টরা দাবি করেছেন যে, তাদের কাছে কোনও শিক্ষার্থী ভোট দিতে না পারা নিয়ে অভিযোগ করেননি। অথচ গণমাধ্যমে আমরা দেখেছি যে নির্বাচনের দিনই চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ৫টি প্যানেলের শিক্ষার্থীরা লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। এমনকি ১৮ মার্চ উপ-উপচার্যের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। অথচ একই দিনে অনুষ্ঠিত প্রভোস্টদের সভায় দাবি করা হলো কেউ কোনও অভিযোগ দেয়নি!

বিবৃতিতে ইমেইলে/ফেসবুক মারফত সহমত প্রকাশকারীরা হলেন - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক নেহাল করিম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনীম সিরাজ মাহবুব, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাইদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসির উদ্দন আহমদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মানস চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আর রাজী, সহকারী অধ্যাপক সায়মা আলম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজলী সেহরীন ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুনাসির কামাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শামসুল আরেফিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুবর্ণা মজুমদার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা সুলতানা, অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাদাফ নূর।

এছাড়া বিবৃতিতে আরও যারা সমর্থন জানিয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাসুদ ইমরান মান্নু, নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসরিন খন্দকার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালযয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক খাদিজা মিতু, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জাভেদ কায়সার।

রায়হান শরীফ, সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; সৌম্য সরকার, সহকারী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যাল; ওয়াকিলুর রহমান, অধ্যাপক, গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; নাফীসা তানযীম, সহকারী অধ্যাপক, গ্লোবাল স্টাডিজ, উইমেন্স, জেন্ডারঅ্যান্ড সেক্সুয়ালিটি বিভাগ, লেসলি বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র; কাজী শেখ ফরিদ, সহযোগী অধ্যাপক, গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; মাহমুদুল সুমন, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; হিয়া ইসলাম, প্রভাষক, মিডিয়া স্টাডিজ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস, বাংলাদেশ (ইউল্যাব); আলী রিয়াজ, ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র; আকমল হোসেন, সাবেক অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; খন্দকার হালিমা আক্তার রিবন, সহযোগী অধ্যাপক, নাট্য ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; পারভীন জলী, সহযোগী অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; ড. মাহমুদ হোসেইন, সহযোগী অধ্যাপক, মার্কেটিং বিভাগ, সান ফ্রান্সিসকো স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র; লুৎফুন হোসেন, সাবেক শিক্ষক, প্রাণীবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; দীপ্তি দত্ত, প্রভাষক, প্রাচ্যকলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; অভিন্যু কিবরিয়া ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক, অনুজীববিজ্ঞান বিভাগ, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; অর্পিতা শামস মিজান, প্রভাষক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; আইনুন নাহার, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; মোশরেকা অদিতি হক, সহকারী অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; মোশাহিদা সুলতানা, সহযোগী অধ্যাপক, একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; রায়হান রাইন , সহযোগী অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক সুমন সাজ্জাদ, বাংলা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রোবায়েত ফেরদোউস, অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; ড. তৈয়েবুর রহমান, অধ্যাপক, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; ড আব্দুর রাজ্জাক খান, সহযোগী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; সিউতি সবুর, সহযোগী অধ্যাপক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়; গোলাম হোসেন হাবীব, সহকারী অধ্যাপক, ইংরেজী বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; হিমেল বরকত, অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; স্বাধীন সেন, অধ্যাপক, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; কাবেরী গায়েন, অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

/এসও/টিটি/

লাইভ

টপ