ব্যক্তিগত সচেতনতা ছাড়া অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ সম্ভব নয়: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:০৭, এপ্রিল ১৭, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:২৪, এপ্রিল ১৭, ২০১৯

পরিবার থেকে রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান বলেছেন, ‘ব্যক্তিগত সচেতনতা ছাড়া অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ সম্ভব নয়। আমাদেরকে সচেতন হতে হবে। এই সচেতনতার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন, চলার পদ্ধতি, সামাজিক চেতনা, ধর্মীয় চেতনাবোধ, সংস্কৃতি মেনে চলা, উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন না করে সুশৃঙ্খল জীবনযাপন করা, কুঅভ্যাস থেকে দূরে থাকা, বেশি আধুনিকায়নের কারণে যে জাঙ্কফুড খাওয়ার প্রবণতা তা থেকে দূরে থাকা এগুলো করতে হবে।’

বুধবার (১৭ এপ্রিল) ‘এনসিডি চ্যালেঞ্জ হেলথ ইন অল পলিসি হোল সোসাইটি অ্যাপ্রোচ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। জাতীয় স্বাস্থ্য সপ্তাহ উপলক্ষে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও ভোরের কাগজ যৌথভাবে এই আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।

এসময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, সিওপিডি, ক্যান্সার, মানসিক স্বাস্থ্য (নন কমিউনিকেবল ডিজিজ-সিওপিডি) এই রোগগুলো নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। এই রোগটা কেন হচ্ছে, তা আমাদের বুঝতে হবে। আমরা হাঁটাচলা করতে চাই না, জাঙ্কফুড খাই। এগুলো আমাদের প্রতিরোধ করতে হবে। তা না হলে আমরা কতগুলি হাসপাতাল করব?

তিনি আরও বলেন, ‘এমন স্কুলের অনুমোদনই দেওয়া উচিত না, যেখানে খেলার মাঠ থাকবে না।’ 

মূল প্রবন্ধে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক এ এইচ এম এনায়েত হোসেন বলেন, ‘বিশ্বে রোগের যে দশটি কারণ রয়েছে, তার মধ্যে সাতটিই নন কমিউনিকেবল ডিজিজ (এনসিডি)’র কারণে হচ্ছে। ২০১২ সালে এই মৃত্যুর হার ছির ৫২ ভাগ, ২০১৪ সালে ৫৯ ভাগ এবং ২০১৭ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৬৭ ভাগ। এনসিডি’র রোগগুলোর মধ্যে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যানসার, সিওপিডি ও মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতির জন্য তামাক, অ্যালকোহল, অস্বাস্থ্যকর খাবার, বায়ু দূষণ ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা দায়ী।’

স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ওষুধের সাপ্লাই কীভাবে বাড়াতে পারি, সেটা নিয়ে প্রস্তাব এসেছে। ওষুধের দাম আমাদের মূল খরচের ৪৫ ভাগ হয়ে যায়, এটা আমরা কমিয়ে আনার জন্য ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সঙ্গে কথা বলছি।’ 

সভার সঞ্চালনা করেছেন ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত। এসময় বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালক, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, পুষ্টিবিদরা বক্তব্য রাখেন। 












/টিওয়াই/এএইচ/

লাইভ

টপ