নারী নির্যাতন বন্ধের দাবিতে রাস্তায় কিশোরীরা

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৪:০৪, এপ্রিল ১৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:০৯, এপ্রিল ১৯, ২০১৯

 নিরাপদে চলাফেরা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন নারী নির্যাতন বন্ধ এবং নিরাপদে চলাফেরা নিশ্চিতের দাবিতে রাস্তায় নেমে মানববন্ধন করেছে পুরান ঢাকার কিশোরীরা। শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে নুসরাত হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে আরও বেশ কয়েকটি সংগঠন। সেখানে অংশ নেয় পুরান ঢাকার কিছু কিশোরী শিক্ষার্থী।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া পুরান ঢাকার ফরিদাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারজানা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা চাই কোনও নারী যেন নির্যাতনের শিকার না হয়। আমরা যারা ছোট তারা যেন বাইরে নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারি। এছাড়া প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অমানবিক নির্যাতন বন্ধ করা হোক। একটি সুন্দর বাংলাদেশ আমরা চাই।’ পুরান ঢাকার অভিভাবক ও শিক্ষার্থী আয়োজিত মানববন্ধনে যোগ দেয় তারা।
নুসরাত হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চেয়ে মানববন্ধনে আরও অংশ নেয় শ্রমজীবী নারী মৈত্রী। সংগঠনের সভাপতি বন্নিশিখা জামালী বলেন, ধর্ষক ও নারী নির্যাতনকারীর আশ্রয়দাতাকে শাস্তি দিতে হবে যেন কোনোভাবেই এর সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের বাইরে না থাকতে পারে। নারী নিপীড়ন ও ধর্ষকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
শ্রমজীবী নারী মৈত্রীর মানববন্ধনঅন্যদিকে নুসরাত জাহান রাফির হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জার্নালিস্ট ফোরাম। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জাফরুল আলম দাবি করে বলেন, ‘সম্প্রতি ফেনীর সোনাগাজীতে আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলাসহ সকলকে দ্রুত বিচার আইনে বিচার করা হোক। এমন শাস্তি দেওয়া হোক যেন এই ধরনের ন্যক্কারজনক ধর্ষণ ও খুনের মতো ঘটনা না ঘটে।’
যাত্রাবাড়ীর দুই অবুঝ শিশুকে যৌন নির্যাতন ও হত্যা, ফেনীর মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন হয়রানি ও পুড়িয়ে হত্যাসহ সকল শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করেছে একসেস টু হিউম্যান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. এনামুল হক বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকে প্রতিটি ক্ষেত্রে সচেতন হবো, সবাইকে সচেতন করবো। মানসিক অবস্থার পরিবর্তন করে মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধকে জাগ্রত করবো। প্রত্যেক এলাকার স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, গির্জা ও কর্মস্থলে সচেতনতামূলক কর্মশালা, কাউন্সেলিং, মনিটরিং, নির্দেশনা বোর্ড, অভিযোগ বক্স এবং সম্মিলিত সব আয়োজন করবো। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুস্থ, উন্নত ও নিরাপদ সমাজ ও রাষ্ট্র নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। কারণ সুস্থ মানসিকতা উন্নয়নের পূর্বশর্ত যা সুস্থ সামাজিক ব্যবস্থা ছাড়া অসম্ভব।’

 

/এইচএন/ওআর/

লাইভ

টপ