মাহফুজ উল্লাহর দ্বিতীয় জানাজা জাতীয় প্রেসক্লাবে সম্পন্ন

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৮:৪৫, এপ্রিল ২৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৫৫, এপ্রিল ২৮, ২০১৯

 

জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর জানাজা অনুষ্ঠিত

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (২৮ এপ্রিল) আসর নামাজের পর জাতীয় প্রেসক্লাবের টেনিস গ্রাউন্ডে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় দেশের রাজনীতিক, সুধীজনদের পাশাপাশি পারিবারিক আত্মীয়স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে তার মরদেহ প্রেসক্লাবে আনা হয় এবং নামাজে জানাজা শুরু হয় ৫টা ২০ মিনিটে। দেশের বিশিষ্ট এই সাংবাদিক শনিবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে (ব্যাংকক সময় ১১টা ৫ মিনিট) ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

তাঁর মৃত্যুতে বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শোক প্রকাশ করেছেন। রবিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত জানাজায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, জেএসডির সভাপতি আ.স.ম আব্দুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ, নির্বাচন কমিশনের সদস্য মাহবুব তালুকদার, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এদেশের যে কয়জন প্রথিতযশা সাংবাদিক, তার মধ্যে মাহফুজ উল্লাহ নিঃসন্দেহে অন্যতম। অসাধারণ একটা বন্ধুত্বপূর্ণ মানুষ, ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ। যে সাংবাদিকতাকে শুধু পেশা হিসেবে নেয়নি, নেশা হিসেবে নিয়েছিলেন। মাহফুজ উল্লাহ একাধারে সাংবাদিকতা করেছেন, লিখেছেন প্রায় ৫০ টির মতো বই। তিনি হঠাৎ এত তাড়াতাড়ি চলে যাবেন আমরা কেউ ভাবতেও পারিনি। তিনি আমার অত্যন্ত ভালো বন্ধু ছিলেন। যদিও আমার বয়সে ছোট কিন্তু আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ একজন বন্ধু ছিলেন, পরামর্শক ছিলেন এবং অনুপ্রেরণার একটা জায়গা ছিল। তাকে এভাবে আমাদের আগেই হঠাৎ করে চলে যেতে হবে, তার জানাজা পড়তে হবে, তা আমি ভাবতেও পারছি না। তার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকে আমি নিজেই অত্যন্ত ভেঙে পড়েছি। আল্লাহ তাকে বেহেস্ত নসিব করুন।

মাহফুজউল্লাহর বড় ভাই অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুবউল্লাহ বলেন, মাহফুজুল্লাহ অত্যন্ত প্রতিভাবান ছিল। আপনারা সাক্ষ্য দেন তিনি কেমন মানুষ ছিলেন। আপনারা দোয়া করবেন তাকে যেন আল্লাহ জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করেন।

ছেলে মোস্তফা হাবিব  বলেন, আমার আব্বার কথায় ও কাজে যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন তবে তাকে ক্ষমা করে দিবেন। পহেলা মে বাবার কুলখানি এই প্রেসক্লাবেই হবে, আশাকরি আপনারা সেখানে অংশগ্রহণ করবেন।

জানাজা শেষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর বিএনপি, ভাসানী অনুসারী পরিষদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, নোয়াখালীর জার্নালিস্ট ফোরামসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে তার মরদেহে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

 

/এইচএন/টিএন/

লাইভ

টপ