আবুল বাজানদারের অস্ত্রোপচার শুরু হতে দুই সপ্তাহ লাগবে

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:৫৮, মে ২৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:১২, মে ২৫, ২০১৯

 

আবুল বাজানদার (ফাইল ছবি)

‘বৃক্ষমানব’ খ্যাত আবুল বাজানদারের অস্ত্রোপচার শুরু হতে দুই সপ্তাহ সময় লাগবে। এর আগে তার কিছূ পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হবে।

আজ শনিবার (২৫ মে) বাংলা ট্রিবিউনকে একথা জানিয়েছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. তানভীর আহমেদ।

তিনি বলেন, বাজানদারের পরীক্ষা-নিরীক্ষা হচ্ছে। সবগুলো রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত আমরা পরবর্তী পদক্ষেপে যাবো না। তার সবগুলো রিপোর্ট আসতে সময় লাগবে। আমরা প্রথমে তার হাত ভিজিয়ে রাখি এরপর নরম হওয়ার পর অস্ত্রোপচারে যাই।

তিনি বলেন, তার হাত সার্জারির জন্য প্রস্তুত করতে কমপক্ষে দশ দিন লেগে যায়। তার অপারেশনের প্রস্তুতিটা একটু দীর্ঘমেয়াদি। এখন আমরা জুনিয়র লেভেলের চিকিৎসকরা ইভাল্যুয়েট করছি। সব রিপোর্ট হাতে পেলে সিনিয়র চিকিৎসকরা এগুলো নিয়ে বসবেন। আমরা তখন একটি মেডিক্যাল বোর্ড করবো। যেহেতু তার হাতে আবার নতুন করে এগুলো  (গাছের মতো লোমশ বস্তু)   হচ্ছে তাই আমাদের এবার আর একটু ধীরে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে সবগুলো পরীক্ষা ফ্রি করা হবে।

এর আগে গত  রবিবার (১৯ মে) দুপুরে আবারেও চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি হয়েছেন আবুল বাজানদার।

তার চিকিৎসা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আবুল বাজানদারকে অনেক আগে আসতে বলেছিলাম। তখন ওর হাতের এগুলো ( বিসদৃশ লোম)  ছোট ছিল। তখন আসেনি। এখন বড় হয়ে যাওয়ার পর আবার এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি এখনও বলছি, এই রোগ শতভাগ কিউর হবে না।’

আবুল বাজানদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এখন তো হাসপাতালে আছি।’

খুলনার আবুল বাজানদার ১০ বছর ধরে হাত-পায়ে শেকড়ের মতো গজিয়ে ওঠা বিরল এক জেনেটিক রোগে ভুগছেন। ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার জন্য গঠিত হয় পাঁচ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার চিকিৎসার সব খরচ রাষ্ট্রীয়ভাবে করার নির্দেশ দেন। গত দু’বছরে তার হাত-পায়ে ২৫ দফা অস্ত্রোপচার চালানো হয়। কিন্তু চিকিৎসক এবং তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ এনে একপর্যায়ে হাসপাতাল থেকে গ্রামের বাড়ি চলে যান আবুল বাজানদার।

 

/টিওয়াই/টিএন/

লাইভ

টপ