পঞ্চম দিনের মতো বিক্ষোভে বুয়েট শিক্ষার্থীরা

Send
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৬:৩৮, জুন ১৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:০৫, জুন ১৯, ২০১৯

বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলনগবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ ১৬ দফা দাবিতে টানা পঞ্চম দিনের মতো আন্দোলন করছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়টির শহীদ মিনারের পাদদেশে প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

এদিকে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছে শিক্ষকদের সংগঠন—বুয়েট শিক্ষক সমিতি ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বুয়েট।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো—গবেষণা উন্নয়নে এ খাতে বরাদ্দ বাড়ানো, নিয়মিত শিক্ষক মূল্যায়ন প্রোগ্রামের আয়োজন করা, আবাসিক হলের অবকাঠামো উন্নয়ন, বুয়েট গেটের জন্য সিভিল-আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্টের বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের নিয়ে কমিটি গঠন ও ডিজাইনের জন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতার আয়োজনে অফিসিয়াল নোটিশ দেওয়া, বিতর্কিত নতুন ডিএসডব্লিউকে (ছাত্রকল্যাণ পরিচালক) অপসারণ করে ছাত্রবান্ধব নতুন ডিএসডব্লিউ নিয়োগ দেওয়া, ‘সাবেকুন নাহার সনি’ ছাত্রী হলের নামকরণ করা, শিক্ষার্থীদের ১০৮ ক্রেডিট অর্জনের পর ডাবল সাপ্লি দেওয়ার যে পদ্ধতি গত মেয়াদে চালু ছিল তার পুনর্বহাল, ‘সিয়াম-সাইফ’ নামে সুইমিংপুল কমপ্লেক্স স্থাপনে ভিসির স্বাক্ষরসহ নোটিশ।

বুয়েট শিক্ষার্থীদের মিছিলএছাড়া নির্মাণাধীন টিএসসি ভবন ও ন্যাম ভবনের কাজ সম্পন্ন করা, বুয়েটের যাবতীয় লেনদেনের ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করা, নির্বিচারে ক্যাম্পাসের গাছ কাটা বন্ধ করে আগের গাছ কাটার ব্যাখ্যা দেওয়া এবং এরই মধ্যে যত গাছ কাটা হয়েছে ভিসির উপস্থিতিতে তার দ্বিগুণ গাছ রোপণ করা, শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক মেইল আইডি দেওয়া, ওয়াইফাই ও ব্যায়ামাগারের আধুনিকায়ন, মাঠের উন্নয়ন করা ও পরীক্ষার খাতায় রোল নম্বরের পরিবর্তে কোড সিস্টেম চালু করা।

আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষার্থী আনিস রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পঞ্চম দিনের মতো আমাদের অবস্থান কর্মসূচি চলছে। এখন পর্যন্ত দাবি পূরণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও আশ্বাস পাইনি। আন্দোলনের প্রথম দিন থেকেই আমরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আসছি। আজকে বুয়েটের সব প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের আন্দোলনের সঙ্গে শিক্ষকদের দু’টি সংগঠন একাত্মতা প্রকাশ করেছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।’

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মাসুম বিল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের দাবিগুলো মেনে নিলে আন্দোলন প্রত্যাহার করবো। তাই অবিলম্বে দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’ 

/আইএ/এমএমজে/

লাইভ

টপ