শহীদ জিয়া কলেজের অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষকের এমপিও সাময়িক বন্ধ

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২২:২৪, জুন ১৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৩২, জুন ১৯, ২০১৯

শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ (ছবি সংগৃহীত)দুর্নীতি, অবৈধ নিয়োগ ও সরকারি কাজে সহযোগিতা না করার অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় জামালপুরের শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ এবং একজন প্রভাষকের এমপিও (মান্থলি মেমেন্ট অর্ডার) সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি কেন স্থায়ীভাবে তাদের এমপিও বন্ধ করা হবে না তা জানাতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালককে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৯ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. কামরুল হাসান স্বাক্ষরিত চিঠিতে কারণ দর্শাতে বলা হয়।

মাউশির কাছে পাঠানো চিঠির সূত্রে জানা গেছে, শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম তরিকুল ইসলামের অবৈধ নিয়োগ ও দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. সুরুজ্জামান। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত করে অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়। তদন্তে দেখা যায়, বিধিবহির্ভূতভাবে অধ্যক্ষ এমপিওভুক্ত হয়েছেন। প্রভাব খাটিয়ে সিনিয়র শিক্ষকদের বাদ দিয়ে সরকারি নীতিমালা ভঙ্গ করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব নিয়েছেন। ভুয়া নিবন্ধন সনদধারীকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এছাড়া বিধিবহির্ভূতভাবে কলেজের অভ্যন্তরীণ ও বোর্ড পরীক্ষার অর্থ নিয়েছেন।

এদিকে, অভিযোগকারী উপাধ্যক্ষের বিরুদ্ধেও অভিযোগ পায় তদন্ত কমিটি। ওই অভিযোগ তদন্তে দেখা গেছে, উপাধ্যক্ষ সুরুজ্জামান বিএম শাখার প্রভাষক ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি উপাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পান। উপাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে এই শিক্ষক বিএম শাখার প্রভাষকের পদ থেকে পদত্যাগ করেননি। শুধু তাই নয়, উপাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর প্রভাষকদের পদে বেতন তুলেছেন।

কলেজের প্রভাষক এস এম আব্দুল্লাজ আল ফুয়াদ তদন্ত করার সময় তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন এবং অধ্যক্ষ তাকে কারণ দর্শানোর জবাব দাখিল করতে নির্দেশ দিলেও তিনি কোনও জবাব দেননি। যা সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলার সামিল।

এসব বিবেচনায় তদন্ত কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ এবং প্রভাষকের এমপিও সাময়িক বন্ধ করার নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি কেনও স্থায়ীভাবে এমপিও বন্ধ করা হবে না তা জানাতে মাউশির মহাপরিচালককে চিঠি দেওয়া হয়।

 

/এসএমএ/টিটি/

লাইভ

টপ