ঋণখেলাপিদের ‘বিশেষ সুবিধা’ কেন বেআইনি নয়, হাইকোর্টের রুল

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৬:৪৮, জুলাই ২৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:১৬, জুলাই ২৩, ২০১৯



ঋণখেলাপিদের সুদের ২ শতাংশ জমা দিয়ে ১০ বছরের জন্য ঋণ পুনঃতফসিলের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা প্রজ্ঞাপন কেন বেআইনি ও কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ-সংক্রান্ত এক সম্পূরক আবেদনের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আগামী ৩১ জুলাই এ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।
আদালতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। ব্যাংক মালিকদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মুনিরুজ্জামান।
এর আগে গত ১৬ মে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে ‘ঋণ পুনঃতফসিল ও এককালীন এক্সিট সংক্রান্ত বিশেষ নীতিমালা’ জারি করে ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়। এ নীতিমালা অনুযায়ী খেলাপি ঋণের অনারোপিত সুদ মওকুফ সুবিধার পাশাপাশি খেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যাংকের দায়ের করা মামলা স্থগিত রাখার কথাও বলা হয়। এছাড়া আরেকটি প্রজ্ঞাপনে যারা নিয়মিত ঋণ শোধ করেন, তাদের সুদের ১০ শতাংশ রেয়াতি সুবিধা দেওয়ার কথা বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
পরে ওই প্রজ্ঞাপনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। এই রিটের শুনানিতে প্রজ্ঞাপনের কার্যক্রম স্থগিত রাখাসহ একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে বিগত ২০ বছরে দেশের ঋণখেলাপি ও অর্থ পাচারকারীদের তালিকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এর ধারাবাহিকতায় ঋণখেলাপিদের তালিকা আদালতে জমা দেওয়া হয়।

/বিআই/এইচআই/

লাইভ

টপ