সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল আন্দোলন ক্লাস বর্জন কর্মসূচিতে বাধা, আহত ২

Send
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১২:৩৬, জুলাই ২৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:২৪, জুলাই ২৪, ২০১৯

মারধরের কারণে আহনাফ তাহমিদের ডান চোখে জখম হয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ডাকা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাওয়ার সময় দু’জন শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (২৪ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সামনে মারধরের এ ঘটনা ঘটে।

আহত ওই দুজন হলেন— ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আহনাফ তাহমিদ এবং আরবি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবু রায়হান। তাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। আহনাফ তাহমিদের চোখে গুরুতর জখম হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনের সামনে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। কোনও শিক্ষার্থী তালা লাগাতে এলে তাদের প্রতিহত করা হচ্ছে৷  ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জানান, ভবনে তালা দেওয়ার কারণে ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছেন না শিক্ষার্থীরা। কেউ ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখতে চাইলে তাদের প্রতিহত করা হবে। 

ছাত্রলীগ সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের নেতাকর্মীদের সকালে কর্মসূচি প্রতিহতের নির্দেশ দিয়েছে ছাত্রলীগ। ফলে কোনও ভবনে তালা লাগাতে পারেননি আন্দোলনকারীরা।

আহত আবু রায়হান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা টিএসসির দিকে যাচ্ছিলাম। আমার সঙ্গে পাঁচ জন ছাত্রী ছিলেন। এ সময় পেছন থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমাকে বলে, আমি নাকি ভবনে তালা দিয়েছি। আমি তালা লাগাইনি জানানোর পরও তারা আমাকে মারধর করেন। পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন তাহমিদ। তিনি বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। এতে তার একটি চোখে গুরুতর আঘাত লাগে।’

কর্মসূচির বিষয়ে জানতে সাত কলেজ বাতিল আন্দোলনের মুখপাত্র শাকিল মিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ছাত্রলীগ আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা দিচ্ছে। আমাদের মেয়ে শিক্ষার্থীসহ কয়েকজনকে মারধর করেছে। আমরা এই হামলার নিন্দা জানাচ্ছি৷ বিষয়টি নিয়ে পরে আমরা সংবাদ সম্মেলন করবো। আমাদের আন্দোলন চলছে, চলবে।’ 

হামলার বিষয়ে জানতে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসকে কল করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনকে ফোন করা হলে তিনি কলটি ধরেননি।

 

/আইএ/

লাইভ

টপ