সাবেক স্বামীর হাতে খুন হন সাভারের এনজিওকর্মী হাসি

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৪:২৯, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৪২, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯

হাসি আক্তারসাবেক স্বামীর ইটের আঘাতে খুন হন সাভারের এনজিওকর্মী হাসি আক্তার (২৪)। গত ১ মে সাভারের আমিনবাজারের একটি ভাড়া বাসায় তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার চার মাস পর ঘাতক সোহেল রানাকে রবিবার রাতে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪। প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে সোহেল। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কাওরানবাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-৪ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক।
তিনি বলেন, ‘এ বছরের জানুয়ারিতে হাসির সঙ্গে সোহেল রানার বিয়ে হয়। বিয়ের চার মাস পর তাদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর হাসি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। পরে একটি এনজিওতে চাকরি নেন। তিনি আমিনবাজারের শিবপুর গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। এ সময় সোহেল হাসিকে অফিসে আসা-যাওয়ার পথে এবং বাসায় গিয়ে উত্ত্যক্ত এবং টাকা দাবি করতো। এতে সোহেলকে বাধা দেয় হাসি। কিন্তু সোহেল আরও বেশি উত্ত্যক্ত করতে থাকে।’
র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার সোহেল রানাডিআইজি মোজাম্মেল হক বলেন, ‘গত ১ মে সকালে হাসির বাসায় জোরপূর্বক ঢুকে টাকা দাবি করে সোহেল। টাকা দিতে অস্বীকার করলে হাসিকে এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকে। একপর্যায়ে মারধরে অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। পরে সোহেল হাসির চুল ধরে ফ্লোরে মাথায় আঘাত করতে থাকে এবং খাটের নিচে থাকা ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। একপর্যায়ে হাসির মৃত্যু হয়েছে ভেবে সোহেল আলমারির ড্রয়ার থেকে তিন ভরি সোনা ও নগদ ত্রিশ হাজার টাকা নিয়ে দরজা বন্ধ করে পালিয়ে যায়। পরে বাড়ির মালিক হাসিকে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে ছয়দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর ৭ মে তিনি মারা যান।’
এ ঘটনায় হাসির মা বাদী হয়ে সাভার থানায় একটি মামলা করেন। আসামি এবং তার পরিবার মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বাদীকে হত্যার হুমকি দিতে থাকে। মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব-৪ মামলাটির ছায়াতদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে পলাতক সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়।

 

 

/এআরআর/ওআর/

লাইভ

টপ