এইডস আক্রান্ত মাদকসেবীদের বায়োম্যাট্রিক ডেটা সংগ্রহ শুরু

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২৩:৩০, অক্টোবর ২২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০০:০৫, অক্টোবর ২৩, ২০১৯

 এইচআইভি পজেটিভ মাদকসেবীদের সেবা দেওয়ার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রিয়েল-টাইম বায়োমেট্রিক ডেটা সংগ্রহ চালু করেছে সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।

পরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এইচআইভি পজেটিভ মাদকসেবীদের চিকিৎসা, কাউন্সেলিং ও সমাজে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আরও বেশি সংখ্যায় দক্ষ ‘কেস ওয়ার্কার’ প্রয়োজন বলে মনে করছে সেভ দ্য চিলড্রেন। 

প্রকল্পে সেভ দ্য চিলড্রেনের সঙ্গে সহযোগী সংস্থা হিসেবে কাজ করছে কেয়ার বাংলাদেশ এবং মুক্ত আকাশ বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইদুর রহমান। এতে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের টিবিএল অ্যান্ড এএসপি’র লাইন ডিরেক্টর প্রফেসর ডা. মো. সামিউল ইসলাম। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউএনএইডস বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ডা. সায়মা খান, সরকারের স্বাস্থ্য অধিদফতরের এইডস/এসটিডি প্রোগ্রামের ডিরেক্টর এবং প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. মো. আমিনুল ইসলাম মিয়া, সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশের হেলথ, নিউট্রিশন অ্যান্ড এইচআইভি/এইডসের সেক্টর ডিরেক্টর ডা. শামিম জাহান, সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশের এইচআইভি/এইডস প্রোগ্রামের চিফ অব পার্টি ডা. লিমা রহমানসহ সহযোগী সংস্থার কর্মকর্তারা।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে সেভ দ্য চিলড্রেন এইচআইভি পজেটিভ ব্যক্তিদের জন্য ‘কম্প্রিহেন্সিভ ড্রপইন সেন্টার (সিডিআইসি)’ চালু করে। পরে ড্রপইন সেন্টারগুলোতে ‘কেস ওয়ার্কার’ হিসেবে সেবাদানকারীদের নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে ‘কেস ম্যানেজমেন্ট’ শুরু হয়। এই পদ্ধতিতে কেস ওয়ার্কাররা প্রতিটি রোগীকে আলাদা করে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকেন। কেস ওয়ার্কাররাই মূলত এই পদ্ধতির কেন্দ্রবিন্দু। মাদকসেবীদের মধ্যে দ্রুত অবস্থান পরিবর্তন করার প্রবণতা বেশি হওয়ার পরেও বর্তমানে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের ড্রপইন সেন্টারগুলো থেকে সর্বমোট ৬৬৮ জন এআরটি নেওয়া এইচআইভি পজেটিভ মাদকসেবীদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হয়েছে।


/এসও/টিটি/

লাইভ

টপ