‘বাংলাদেশ কবিতার আবাদক্ষেত্র’

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৫:১৩, নভেম্বর ০৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:০৬, নভেম্বর ০৯, ২০১৯

ঢাকা লিট ফেস্টের তৃতীয় ও শেষ দিন শনিবার (৯ নভেম্বর) বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রহমান সেমিনার কক্ষে আয়োজিত ‘সাহিত্য ও সাংবাদিকতা: দ্বৈতসত্তার মিল-অমিল’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের কবি ও সাংবাদিক মৃদুল দাশগুপ্ত, প্রথম আলো পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও কবি সাজ্জাদ শরীফ এবং কবি ও দৈনিক সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নিউজ টুয়েন্টিফোর এর প্রধান বার্তা সম্পাদক শাহনাজ মুন্নী।


আলোচনায় মৃদুল দাশগুপ্ত বলেন, আমি কবিতাকে কিছুতেই জড়াই না সাংবাদিকতার সঙ্গে। আমি মাথা দিয়ে সাংবাদিকতা করি এবং বুক ও মাথা দিয়ে কবিতা লেখার চেষ্টা করি। আমি মনে করি, পশ্চিমবঙ্গে যারা লেখালেখি করে তাদের একবার হলেও বাংলাদেশে ঘুরে যাওয়া উচিত। আর বাংলাদেশের যারা লেখালেখি করে তাদেরও পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলোতে ঘুরে আসা উচিত। বাংলাদেশ কবিতার আবাদক্ষেত্র।’
সাজ্জাদ শরীফ বলেন, ‘আমার স্বপ্নের এবং কল্পনার বড় অংশ সাংবাদিকতায় দিয়েছি। এতে করে কবিতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি সেটা বলতে পারবো না, কবিতা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকতা ও কবিতার শব্দ আলাদা। কবিতায় এমন শব্দ ব্যবহার করতে পারব না, আমি যেটা মুখে বলছি। কবিতা একেক জন একেক রকম ভাবে লেখেন। এখানে কারও প্রক্রিয়ার সঙ্গে কারোর প্রক্রিয়া মেলে না।’
মুস্তাফিজ শফি বলেন, ‘সাংবাদিকতা ও সাহিত্য পরস্পরের পরিপূরক। আমার যা কিছু মৌলিক লেখালিখি, তার পেছনে রয়েছে সাংবাদিকতা থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা।’ তিনি তার আলোচিত উপন্যাস ‘জিন্দা লাশ অথবা রমেশ ডোম’ ও ‘ঈশ্বরের সন্তানেরা’র প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘সাংবাদিকতা না করলে হয়তো এই লেখা দু’টি হতো না।’ তবে, একইসঙ্গে তিনি সক্রিয় সাংবাদিকতার জন্য মৌলিক লেখালিখির পর্যাপ্ত সময় বের করা কষ্টকর বলেও উল্লেখ করেন।  

এইচএন/এনএ/

লাইভ

টপ