চিকিৎসকদের ক্যামেরা দিয়ে দেখবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:২৫, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৩৪, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৬

মোহাম্মদ নাসিমচিকিৎসকরা কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে সেবা দিচ্ছেন কিনা তা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সচিবালয় থেকে প্রতিদিন মনিটরিং করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। এ জন্য প্রযুক্তিগত সব প্রক্রিয়া শিগগিরই সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে চিকিৎসক উপস্থিতি মনিটরিং করতে সিভিল সার্জনদের আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ে চিকিৎসক না থাকলে তত্ত্বাবধানকারী কর্মকর্তা হিসাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও জেলার সিভিল সার্জনদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
চিকিৎসকদের উপস্থিতির ওপর নজরদারি বাড়াতে মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রতি সপ্তাহে বিশেষ সভা করে অনুপস্থিতদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেন মোহাম্মদ নাসিম।
বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে চিকিৎসকদের কর্মস্থলে চিকিৎসা প্রদান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে করণীয় বিষয়ে এক সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সময়ে উপজেলা পর্যায়ে ৬ হাজারের বেশি চিকিৎসক নিয়োগ এবং তাদের কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করায় অতীতের তুলনায় এখন হাসপাতালে রোগীরা বেশি সেবা পাচ্ছেন। সরকার এই তদারকি ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করতে চায়।’

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘হাসপাতালে রোগী সেবা না পাওয়ার অভিযোগ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সময়মতো চিকিৎসক পাওয়া যায় না, এমন অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।’

সংসদ সদস্যদেরকে নিজ নিজ এলাকায় হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিষদের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘তাদের প্রতিমাসে একবার হাসপাতালে সভা করে যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করায় বিষয়টিও তুলে ধরতে হবে।’

সভায় জানানো হয়, চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে স্থাপিত বায়োমেট্রিক মেশিন ব্যবহারের হার সম্প্রতি বেড়েছে। রোগীদের অভিযোগ জানানোর জন্য হাসপাতালে স্থাপিত মোবাইল নম্বর ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে এবং অধিদপ্তর থেকে দ্রুত অভিযোগ নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও সভায় জানানো হয়।

/জেএ/এজে/

লাইভ

টপ