behind the news
IPDC  ad on bangla Tribune
Vision  ad on bangla Tribune

ঢাবিতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ৩

ঢাবি প্রতিনিধি২৩:৫৭, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৬

ঢাবিঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলে ক্যান্টিনে ‘ফাও’ খাওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার বিকেলের ওই সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের ৩ জন আহত হয়েছেন। আহতরা সবাই হল শাখা ছাত্রলীগের কর্মী বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন- হল শাখা ছাত্রলীগের প্রস্তাবিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর মাহমুদ (আরবী, ৩য় বর্ষ), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক সংগ্রাম (রাষ্ট্রবিজ্ঞান,৪র্থ বর্ষ) এবং শাখা ছাত্রলীগের কর্মী আমির হামজা (ইসলামের ইতিহাস, ৪র্থ বর্ষ)। তানভীর শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির শেখ ইনানের অনুসারী। বাকি দুইজন সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেনের অনুসারী। আহতদের মধ্যে আমির হামজাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি দুজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে হলের ক্যান্টিন বয়কে রুমে খাবার দিয়ে আসতে বলেন তারেক সংগ্রাম। এ সময় তানভীর মাহমুদ ক্যান্টিন বয়ের পক্ষ নিয়ে এর প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে প্রথমে তারেক এবং তানভীরের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে উভয়ে চলে যান। বিকেলে তানভীরকে হলের গেটে পেয়ে তারেক ও তার বন্ধু আমির হামজাসহ কয়েকজন ছাত্রলীগকর্মী মারধর করেন। এ সময় পাশে থাকা তানভীরের বন্ধুরাও ছুটে এসে মারামারিতে জড়ান। এক পর্যায়ে দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে তারেক, তানভীর এবং আমির হামজা আহত হন।
যোগাযোগ করা হলে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সংঘর্ষের কথা আমি শুনেছি। এতে আহতরা মাথায় আঘাত পেয়েছেন। মেডিকেলে ভর্তির পর হল শিক্ষকরা গিয়ে তাদের সিটি স্ক্যানের ব্যবস্থা করেছেন। তবে আঘাত অতটা গুরুতর না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংঘর্ষের কারণ তদন্তের জন্য শিক্ষকদের বলা হয়েছে। তারা প্রতিবেদন দিলে অপরাধ বিবেচনায় শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।’

এদিকে জানতে চাইলে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ ইনান বলেন, ‘তারেক সংগ্রাম ও তানভীর মাহমুদ নামে দুই ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়েছেন। তবে কোনও গ্রুপিংয়ের কারণে এ সংঘর্ষ ঘটেনি। ব্যক্তিগত সমস্যার জের ধরেই এ সংঘর্ষ ঘটে।’

হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন বলেন, ‘হলে দুইজন সাধারণ ছাত্র নিজেদের মধ্যে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মারামারি করেছেন। এতে আমার দুইজন কর্মীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। কেন তারা নিজেদের মধ্যে মারামারিতে জাড়িয়েছেন আমরা সে বিষয়টি দেখছি।’

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিকী জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তার কিছু জানা নেই।

প্রক্টর অধ্যাপক এএম আমজাদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

/এসআর/এজে/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

IPDC  ad on bangla Tribune
টপ