behind the news
Vision  ad on bangla Tribune

শিক্ষকরা বিশ্বাস করেন দাবি মেনে নেওয়া হবে: ফরিদ উদ্দিন

রশিদ আল রুহানী০১:০৮, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৬

অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদঅষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামোয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মর্যাদা পুনর্বহালের দাবিতে এখনও ধৈর্যের সঙ্গে শিক্ষকরা আন্দোলন করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদ।
সম্প্রতি বাংলা ট্রিবিউনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, গত ৩৭ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা যে মর্যাদা ভোগ করে আসছেন, নতুন বেতন কাঠামোয় সে মর্যাদা কমিয়ে আনা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের গ্রেড-১ ও সুপার গ্রেডে যাওয়ার দাবি পূরণই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য।
অষ্টম বেতন কাঠামোয় নানা অসঙ্গতি দূর করা ও মর্যাদা পুনর্বহালের দাবিতে গত ১০ মাস ধরে দেশের ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্দোলন চালিয়ে  আসছেন। একই দাবিতে জানুয়ারি মাসে টানা সাতদিন ধর্মঘটও পালিত হয়েছে। সে সময় প্রায় অচল হয়ে পড়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম। গত ১৮ জানুয়ারি গণভবনে আয়োজিত পিঠা উৎসবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষকদের সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষক নেতারা।
সমস্যা নিরসনে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও সিনিয়র সচিবদের সঙ্গে শিক্ষকদের কয়েক দফা বৈঠক হয়। শিক্ষকদের সমস্যা সমাধানে অগ্রগতি হয়েছে উল্লেখ করে ফেডারশেনের পক্ষ থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়।

এখনও পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত কোনও সমাধান দেওয়া হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ড. ফরিদ উদ্দিন বলেন,শিক্ষকদের সঙ্গে সরকারের কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে বটে, তবে সমস্যা সমাধানে সরকারের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত এখনও জানানো হয়নি। শিক্ষকরা সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন। অর্থমন্ত্রী দেশে এলেই আলোচনার পর শিক্ষকদের সমস্যার একটা সমাধান আসতে পারে।

দাবি আদায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এখনও অসহিষ্ণু হয়নি জানিয়ে এই শিক্ষক নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পর শিক্ষকরা বিশ্বাস করেন তাদের দাবি মেনে নেওয়া হবে।

ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন করা কতটা যৌক্তিক, এমন প্রশ্নের জবাবে ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন,যে সময়ে তারা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছিলেন তখন শিক্ষার্থীদের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হয় গিয়েছিল। ফলে তেমন ক্ষতি হয়নি। এরপরও যতটুকু ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নিতে শিক্ষকরা শুক্র ও শনিবার ছুটির দিনেও ক্লাস-পরীক্ষা নিচ্ছেন।

 

/আরএআর/এসএনএইচ/এইচকে/এমএসএম

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ