পাঁচ বছরে ৩১ হাজার ৬৬৯ নারী নির্যাতিত হয়েছে

Send
শহীদুল ইসলাম সোহাগ
প্রকাশিত : ০৭:৩০, মার্চ ১৭, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ০৯:২৪, মার্চ ১৭, ২০১৬



সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজিবুল আলম সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে বলেন, ‘প্রথমত নারী নির্যাতনের ঘটনাটি যেই পরিবারে ঘটে, তারা নিজেরাই বিষয়টি চেপে যাওয়ার চেষ্টা করে। দ্বিতীয়,নির্যাতনের শিকার নারীরা কোথায় গেলে ন্যায বিচার পাবেন তা তারা সঠিকভাবে জানেন না।তৃতীয়ত,পুলিশের কাছে গেলে তাদের কিছু আচারণগত সমস্যার জন্যও নারীরা শুরুতেই হোঁচট খান।’
নারী নির্যাতনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে আইন ও শালিস কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন,‘নারী নির্যাতনের ঘটনা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। সমাজে পুরুষের তুলনায় নারীদের অবস্থান অনেকটা দুর্বল হওয়ার কারণে নারী নির্যাতন আমরা কমিয়ে আনতে পারছি না।’
নারী নির্যাতনে প্রচলিত আইনের বিধি-বিধানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন,‘নারী নির্যাতনের ঘটনার বিচারগুলো ঠিকভাবে হলে এবং নির্যাতন  প্রতিরোধে আইনগুলোর সঠিকভাবে প্রয়োগ হলে নির্যাতনের ঘটনা অনেকটাই কমে আসতো।’

 



গত পাঁচ বছরে নারীর প্রতি বিভিন্ন রকমের নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সমাজের উচ্চ মহল থেকে নারীর প্রতি সংঘটিত অপরাধকে খাটো করে দেখা হয়।এমনকি সংঘটিত অপরাধকে সঠিকভাবে আমলে নেওয়া হচ্ছে না।কোনও ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায়, আইনেরও সঠিক প্রয়োগ হচ্ছে না।এমনকি নির্যাতিত নারীরা থানাতে মামলা করতে গেলেও বিভিন্ন বাঁধার স্বীকার হচ্ছে।’অভিযোগ করে মালেকা বানু বলেন, ‘প্রভাবশালী মহলের অর্থের প্রলোভন,সাক্ষীকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখানোয় নির্যাতনের ঘটনা কার্যত বন্ধ হচ্ছে না।’

২০১১ সালের পারিবারিক সহিংসতা, সুরক্ষা ও প্রতিরোধ আইন সাধারণ জনগণকে জানানোর জন্যও আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি।কারণ এ আইনটি অনেক আধুনিক।কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে,অনেক বিশেষজ্ঞই আইনটি সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানে না।

সূত্র: নারী নির্যাতনের সংখ্যাটির সূত্র বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ

এসআইএস/এমএসএম

লাইভ

টপ