বাংলা ট্রিবিউনকে ক্যাডারবঞ্চিত ফোরামের সমন্বয়কমন্ত্রিত্ব চাইনি, বিসিএসে পাস করেছি চাকরি চাই

Send
রশিদ আল রুহানী
প্রকাশিত : ১৪:৩৪, মার্চ ১৮, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:৩৪, মার্চ ১৮, ২০১৬

নুর ইসলাম নুর নিজের শরীরের রক্ত রাস্তায় ঢালছেনবাংলা ট্রিবিউন: কী ধরণের দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করেন?
নূর ইসলাম নূর: আমার কাছে অনেক যুক্তি এবং প্রমাণ রয়েছে। প্রথমত, ক্যাডারদের ফলাফল মেধাক্রম অনুসারে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু নন-ক্যাডারদের মেধাক্রম অনুসারে দেওয়া হয়নি। ৩৪তম বিসিএসের প্রজ্ঞাপনে ৩৩ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নন-ক্যাডারদের মেধাক্রম অনুসারে নিয়োগ দেওয়া হবে। অথচ মেধাক্রম অনুসারে ফল প্রকাশ করা হয়নি। নন-ক্যাডার নিয়োগ পুরোপুরি অস্বচ্ছ। ৩৪তম বিসিএসে মেধা ও প্রাধিকার কোটা আলাদাভাবে ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি, যা ২৭ থেকে ৩৩তম বিসিএসে করা হয়েছে। কমিশন প্রথম দশ জনের মেধা তালিকা প্রকাশ করতো বিগত বিসিএসগুলোতে। এবার তা করেনি।
দ্বিতীয়ত, সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান একটি গণমাধ্যমকে বলেছেন, দ্রুততার জন্য মেধা ও প্রাধিকার কোটা আলাদা করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু ৩৩তম বিসিএসে ১৮ হাজার প্রার্থীর ভাইভা নিয়ে ফলাফল প্রকাশ করা হয় ৬৬তম দিনে অথচ ৩৪তম বিসিএসে মাত্র ১০ হাজার প্রার্থীর ভাইভা নিয়ে ফলাফল প্রকাশ করা হয় ৮৯তম দিনে। অন্য এক গণমাধ্যমে তিনি বলেছেন, মেধা ও প্রাধিকার কোটা আলাদা করলে কোটাধারীরা বিব্রত বোধ করেন। অথচ কোটাধারীরা আদালতে রিট করেছেন মেধা ও প্রাধিকার কোটা আলাদা করে ফল প্রকাশের জন্য।
তৃতীয়ত, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিবন্ধীদের প্রতি যতটা সহনশীল বাংলাদশে কর্ম কমিশন ততটাই অসহনশীল। কারণ প্রতিবন্ধী কোটা ১ শতাংশ, কমিশন ২১৫৯ জনকে সুপারিশ করেছেন, যেখানে প্রতিবন্ধী থাকার কথা ২১ জন। কিন্তু মাত্র তিনজনকে সুপারিশ করে বাকি প্রতিবন্ধীদের নন ক্যাডারের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

লাইভ

টপ