behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

বাংলা ট্রিবিউনকে তনুর ভাই নাজমুলসবকিছু বলতে পারব না, আমি ‘ক’ বললে আপনার কলিকাতা বোঝা উচিত (অডিও)

হারুন উর রশীদ২০:২৯, মার্চ ২৮, ২০১৬

তনুতনুর বড়ভাই নাজমুল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, 'আমরা এখন চাপে আছি। অনেক কিছু বলতে পারছি না। আপনারা তো অনেক কিছু বোঝেন। আমি ‘ক’ বললে আপনার তো কলিকাতা বোঝার কথা।’
কুমিল্লার কলেজছাত্রী নিহত সোহাগী জাহান তনুর বড়ভাই নাজমুল হোসেনের কাছে মামলার তদন্তের অগ্রগতি বিষয়ে জানতে চাইলে সোমবার সন্ধ্যায় টেলিফোনে এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ‘তদন্তে কী হচ্ছে আমরা ঠিক জানি না। আমাদের জনানোও হচ্ছে না। তনু হত্যার পর আমরা যখন গ্রামের বাড়ি মুরাদনগর যাই তখন আপনাদের সঙ্গে কথা বলেছি। এখন আর সম্ভব নয়।’
কেন সম্ভব নয়, জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'আমাদের এখন ক্যান্টনমেন্টের বাসায় নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা এখন চাইলেই বাইরে যেতে পারি না। আজ (সোমবার) বাইরে যেতে পারিনি। তবে আশা করি কাল(মঙ্গলবার) বাইরে যেতে পারবো। যা কিছু আপনাদের সঙ্গে বলতে পারছি তাও চুপে-চাপে।’
তিনি বলেন, 'আপনার সঙ্গে আমি যে কথা বলছি, তাও টেলিফোনে রেকর্ড হচ্ছে বলে আমার ধারণা। তাই সামনা-সামনি আসেন, আরও অনেক কথা আছে বলবো। কাল (মঙ্গলবার) বের হওয়ার চেষ্টা করব। কিন্তু বের হতে না পারলে আর কী করব! তবে এভাবে হলে আমি এখান থেকে চলে যাবো। আমি তো আর চাকরি করি না, আমার বাবা চাকরি করেন। আমার কি স্বাধীনভাবে কথা বলারও অধিকার নেই?
আপনার বাবা কি বাইরে যাচ্ছেন?
-'না যাচ্ছেন না। মনে হয় না বাইরে যেতে পারবেন। তিনি এখানে চাকরি করেন। তাকে একটা নিয়মনীতির মধ্যে থাকতে হয়।’
নাজমুল হোসেন বলেন, 'আসামি গ্রেফতার হয়েছে বলে র‌্যাব আমার মাকে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আসলে তা নয়। তাকে রাত ১২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।’

তিনি ভিন্ন এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, 'আজ (সোমবার) পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই)-এর সদস্যরা ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। তারা হয়তো বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করছেন।’

প্রসঙ্গত, কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী এবং নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর লাশ গত ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ- তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। তনুর বাবা ইয়ার আলী কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে সিভিল চাকরি করেন। তনু ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে সেখানকারই আরেকটি বাসায় পড়াতে গিয়েছিলেন।

ঘটনার পর আট দিন পার হলেও এখনো অপরাধীদের চিহ্নিত করা হয়নি। আটক হয়নি কেউ। আর এরইমধ্যে হত্যা ও ধর্ষণের আলামত নষ্টের অভিযোগ উঠেছে। মামলাটি এখন ডিবি তদন্ত করছে বলা হলেও কী তদন্ত চলছে- তা জানা যাচ্ছে না।

/এইচইউআর /এএইচ/

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ