Vision  ad on bangla Tribune

আ. লীগের কাউন্সিলর থাকছেন না পুতুল ও ববি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট২৩:০৬, অক্টোবর ১৯, ২০১৬

 

putul- bobiক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর হচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ও শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি। বুধবার গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের এক বৈঠক থেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক উপস্থিত আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলী ও সম্পাদক মণ্ডলীর একাধিক সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠকে বলা হয়েছে, পুতুল ও  ববি বিদেশি সংস্থায় কাজ করেন। ওই সংস্থাগুলোর রেজুলেশন অনুযায়ী তারা কোনও রাজনৈতিক দলের কাউন্সিলর হতে পারবেন না। তাই কাউন্সিলর তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ‘ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের (WHO)  মানসিক স্বাস্থ্য বিশষজ্ঞ প্যানেলের সদস্য ও জাতি সংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর সদস্য ববি। তবে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে তথ্য উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ও শেখ রেহানা কাউন্সিলর তালিকায় রয়েছেন।এর আগে রংপুর থেকে সজীব ওয়াজেদ জয়, ঢাকা মহানগর  আওয়ামী লীগ উত্তর থেকে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ থেকে শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে কাউন্সিলর করে কেন্দ্রের কাছে তালিকা পাঠানো হয়।  এর বাইরেও জন্মস্থান গোপালগঞ্জ থেকে শেখ হাসিনা, শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুর থেকে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে কাউন্সিলর করে কেন্দ্রে তালিকা পাঠানো হয়েছিল।

বুধবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় গঠনতন্ত্র ও ঘোষণাপত্রের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে বলা হয়েছে, এরপরও কারও কোনও লিখিত প্রস্তাব থাকলে, তা জানালে ওই প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করার  সুযোগ রয়েছে।  
ঘোষণাপত্র নিয়ে আলোচনাকালে আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য  নূহ-উল আলম লেনিন বলেন, ‘আমাদের নতুন ভিশন হচ্ছে ২০৪১। কিন্তু ঘোষণাপত্রে ভিশন ২০২১ উল্লেখ করা হয়েছে। আমাদের ২০৪১-এর ভিশন কী হবে, তা ঘোষণাপত্রে স্পষ্ট করা হয়নি। বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া উচিত।’ তার এই বক্তব্যের সম্মতি দিয়ে সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘হ্যাঁ, এটা আমাদের ঘোষণাপত্রে স্পষ্ট হওয়া উচিত। এটা আমি নিজেই ঠিক করে দেব। এবং এটি ঘোষণাপত্রে অন্তর্ভুক্ত হবে।’

এ সময় গোপালগঞ্জ জেলা থেকে পাঠানো কাউন্সিলর তালিকায় থাকা নিজের নাম কেটে দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি অন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের জেলা থেকে পাঠানো নামও কাউন্সিলর তালিকা থেকে কেটে দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা পদাধিকার বলেই কাউন্সিলর। তাই নাম বাদ দিয়েই তৃণমূল থেকে সমানসংখ্যক কাউন্সিলরের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তৃণমূল থেকে যেসব কেন্দ্রীয় নেতার এলাকা থেকে কাউন্সিলর তালিকায় নাম এসেছে, তাদের নাম বাদ দেওয়া হবে।  সে জায়গায় তৃণমূল নেতাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে। যেন বেশি করে তৃণমূল নেতারা আসতে পারেন।’

 

আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধু পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের নেতৃত্বে আসার এখনই সময়

/এমএনএইচ/

 

  

samsung ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ