কারও কাছে নতিস্বীকার করবো না: কাদের

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৬:৪১আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:০৮

ওবায়দুল কাদের (ফাইল ফটো যুক্তরাষ্ট্রে তদবির করতে বিএনপির লবিস্ট নিয়োগ করার বিষয়ে প্রশ্ন তুলে এই লবিস্ট নিয়োগের টাকা তারা কোথা থেকে পেয়েছে জানতে চেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। কারও চাপের মুখে বাংলাদেশ মাথানত করবে না মন্তব্য করে কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ আমাদের চাপ দিতে পারে। কিন্তু আমরা অন্য কারও চাপের কাছে নতিস্বীকার করবো না। বাংলাদেশের সমস্যা আমরা এখানেই সমাধান করবো।’

শুক্রবার ধানমন্ডিতে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজের ১০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। প্রসঙ্গত, জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে বাংলাদেশের সামগ্রিক বিষয় অবহিত করতে বিএনপি ওয়াশিংটনে একটি লবিস্ট ফার্ম ভাড়া করেছে বলে বৃহস্পতিবার রাজনীতিবিষয়ক ম্যাগাজিন ‘পলিটিকো’ এ খবর প্রকাশ করেছে।


এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সব আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপির কয়েকজন নেতা এখন অভিযোগ করতে জাতিসংঘে গেছেন। এতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। তারা লবিং করতে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, এটা নিয়ে আমাদের কোনও মন্তব্য নেই। তবে প্রশ্ন হলো এত টাকা তারা কোথা থেকে পায়? ওয়াশিংটনে দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লবিংয়ের জন্য বিএনপি চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। একবারে ২০ হাজার ডলার, আবার প্রতি মাসে ৩৫ হাজার ডলারের বিনিময়ে লবিস্ট নিয়োগ করেছে বিএনপি। এটা কি তারা পারেন? এটার কি কোনও প্রয়োজন আছে?
বাংলাদেশ সরকারকে চাপ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে বিএনপি লবিং করবে অভিযোগ তুলে কাদের বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ‘আমাদের ভিত এবং আমাদের শেকড় দুর্বল নয়। আমাদের শেকড় বাংলাদেশের মাটির অনেক গভীরে। আমাদের চাপ দিতে পারে বাংলাদেশের জনগণ। আমরা অন্য কারও চাপের কাছে নতিস্বীকার করবো না।’
তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘বাংলাদেশ কি পাকিস্তান? বাংলাদেশ কি আফগানিস্তান? বাংলাদেশ কি সুদান বা দক্ষিণ সুদান, বাংলাদেশ কি সোমালিয়া, বাংলাদেশ কি যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাক বা ইরান? বাংলাদেশের সমস্যা আমরা এখানেই সমাধান করবো।’

/ইএইচএস/ওআর/এমওএফ/
সম্পর্কিত
আ. লীগের সঙ্গে চারদলীয় জোট সরকারের বাজেট তুলনা
ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগারে আ.লীগ-সংশ্লিষ্ট বই, সরানো হলো ছাত্রদলের আপত্তিতে
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণে পৃথক অধিদফতর গঠনের আশা মির্জা ফখরুলের
সর্বশেষ খবর
‘পুশইন ও শূন্যরেখায় মানুষকে আটকে রাখার ঘটনা মানবাধিকার নীতির পরিপন্থি’
‘পুশইন ও শূন্যরেখায় মানুষকে আটকে রাখার ঘটনা মানবাধিকার নীতির পরিপন্থি’
বন্যা নিয়ন্ত্রণে বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতের সঙ্গে হবে ফ্লাড ওয়াল
বন্যা নিয়ন্ত্রণে বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতের সঙ্গে হবে ফ্লাড ওয়াল
বয়স্কদের জন্য ট্রেনের ভাড়া ফ্রি, মেট্রোরেলে ২৫ শতাংশ ছাড়
বয়স্কদের জন্য ট্রেনের ভাড়া ফ্রি, মেট্রোরেলে ২৫ শতাংশ ছাড়
যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ‘অবৈধ ও অপরাধমূলক’ বললো ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ‘অবৈধ ও অপরাধমূলক’ বললো ইরান
সর্বাধিক পঠিত
প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে তুলে নেওয়া হলো সেই সড়কের ইট 
প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে তুলে নেওয়া হলো সেই সড়কের ইট 
সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের আছে আইডি কার্ড, চিনতে পেরেছে পরিবার
সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের আছে আইডি কার্ড, চিনতে পেরেছে পরিবার
বিএসএফের পুশইনের পর সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের পরিচয় মিলেছে
বিএসএফের পুশইনের পর সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের পরিচয় মিলেছে
লাশের গোপনাঙ্গ নিয়ে মন্তব্য করে তোপের মুখে নারী চিকিৎসক
লাশের গোপনাঙ্গ নিয়ে মন্তব্য করে তোপের মুখে নারী চিকিৎসক
৫৪ কেজিতে এক মণের দিন শেষ
৫৪ কেজিতে এক মণের দিন শেষ