বিএনপি নেতাদের মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন: তথ্যমন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৪:৩৬, জানুয়ারি ১২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:৪৩, জানুয়ারি ১২, ২০১৯

111বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ বলেছেন, ‘আপনাদের কয়েকজন নেতার মানসিক চিকিৎসা বেশি প্রয়োজন। আমি নেতাদের নাম উল্লেখ করতে চাই না। তবে কার কার চিকিৎসা প্রয়োজন এটি আপনারা ভালোমতোই জানেন। শারীরিক এবং মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন, তবে মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন বেশি।’  শনিবার (১২ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘নির্বাচনের এই ব্যর্থতা ঢাকার জন্য ড. কামাল হোসেন সাহেব নাকি সংলাপ করবেন। নতুন নির্বাচনের জন্য সংলাপ। আসলে নেতাদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য তারাই ভাওতাবাজি সংলাপ চাচ্ছেন। যাতে জনগণের চোখ অন্যদিকে ফেরানো যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘অকশনে যারা নমিনেশন বিক্রি করে, তারা কীভাবে নির্বাচনে জয়লাভ করবে। বাংলাদেশের ইতিহাস আমরা দেখি নাই ৩০০ আসনে ৮০০ নমিনেশন, এটি একটি রেকর্ড। অকশনে যিনি ভাইস বিটার তিনি পেয়ে গেলেন নমিনেশন। যারা অকশনে নমিনেশন বিক্রি করে তারা কীভাবে নির্বাচনে জয়লাভ করবে। নির্বাচনের ১০ দিন আগে যারা হাত-পা গুটিয়ে ঘরে বসে থাকে, তাদের পক্ষে কী নির্বাচনে জয় লাভ করা সম্ভব, সম্ভব না। মানুষ অত বোকা নয়। যারা জীবন্ত মানুষের গায়ে পেট্রোল ঢেলে দিয়ে মানুষ মেরেছে, মানুষ তো তাদের ভোট দেবে না।’

বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী যখন বলে সব ক্ষেত্রে আজ বাংলাদেশ পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী যখন স্বপ্নের কথা বলে দেশকে সুইডেন বানানোর, তখন পাকিস্তানে দাবি উঠে পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবীরা বলেন সুইডেন নয়, দশ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা করুন। এটি হচ্ছে বাংলাদেশের বদলে যাওয়ার চিত্র। এই যখন পরিস্থিতি, তখন একটি পক্ষ তারা বাংলাদেশের কোনও উন্নয়নও দেখে না, তারা এই উন্নয়নের কোনও প্রশংসাও করতে পারে না। তারা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করতে চায়।’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই নির্বাচন সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই নির্বাচনে সবচেয়ে কম সহিংসতা হয়েছে। সব নির্বাচনে পুলিশের ওপর হামলা হয়েছে, পুলিশ আহত কিংবা নিহত হয়েছে। কিন্তু এই নির্বাচনে একজন পুলিশ আহত হয়নি। সবচাইতে কম সহিংসতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনে চরমভাবে হেরে যাওয়ার পর একদিকে তারা সংলাপের কথা বলছে, আরেকদিকে নানা কথাবার্তা বলে নিজেদের মুখ রক্ষা করার চেষ্টা করছে। আমি বিএনপিকে অনুরোধ জানাবো, এই ধরনের কথাবার্তা না বলে বরং আপনারা নিজেরা বিশ্লেষণ করুন আপনাদের পরাজয়। আর নেতৃত্ব পরিবর্তন করুন। তাহলে হয়তো আপনার আবার জনগণের কাছে ফিরে যেতে পারেন।’

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সারাহ বেগম কবরী, সহ-সভাপতি রোকিয়া প্রাচী, কণ্ঠশিল্পী রফিকুল আলম, এস ডি রুবেল, এটিএম শামসুজ্জামান, অভিনেত্রী নতুন, অরুনা বিশ্বাস, তারিন প্রমুখ।

 

/এইচএন/এফএস/

লাইভ

টপ