ড. কামালের ৮৩তম জন্মদিন শনিবার

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:১০, এপ্রিল ১৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৩৬, এপ্রিল ১৯, ২০১৯

ড. কামাল হোসেনসংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনের ৮৩তম জন্মদিন শনিবার (২০ এপ্রিল) উদযাপন করা হবে। তার জন্মদিন উপলক্ষে ওইদিন সকাল ১০টায় আরামবাগের ইডেন কমপ্লেক্সস্থ গণফোরাম কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

গণফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মোশতাক আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- শনিবার গণফোরামের এক সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভার শুরুতে ড. কামাল হোসেনের ৮৩তম জন্মদিন উপলক্ষে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সভায় ড. কামাল জন্মদিনের শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই আইনজীবী অবিভক্ত ভারতের কলকাতায় ১৯৩৭ সালের ২০ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন। বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী ড. হামিদা হোসেনের সঙ্গে তার বিয়ে হয় ১৯৬৪ সালে। তাদের দুই মেয়ে সারা হোসেন ও দিনা হোসেন। কামাল হোসেনের শিক্ষাজীবন শুরু কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলে (১৯৪৪-৪৯)। ঢাকার সেন্ট গ্রেগরিজ স্কুলে মাধ্যমিক এবং নটরডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৫ সালে অর্থনীতিতে ডিগ্রি নেন ড. কামাল হোসেন। এরপর ১৯৫৭ সালে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনশাস্ত্রে স্নাতক (সম্মান) এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৮ ও ১৯৬৪ সালে যথাক্রমে বিসিএল ও ডক্টরেট ডিগ্রি নেন। ১৯৬৯ সালে তিনি ব্যারিস্টারি পাস করে ঢাকা হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন।

১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান তৈরির জন্য যে ‘খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি’ হয়েছিল সেই কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন ড. কামাল হোসেন। বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে তিনি প্রথমে আইনমন্ত্রী, পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সবশেষে পেট্রোলিয়াম ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।

ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে ড. কামাল হোসেন (ফাইল ছবি)
একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি, গণফোরাম, জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন হয়। পরে এই জোটে যোগদান করে কৃষক শ্রকিম জনতা লীগ। এই জোটের আহ্বায়ক করা হয় ড. কামাল হোসেনকে।

৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য একাদশ সংসদ নির্বাচনে তারা জোটগতভাবে অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনে এই জোটের ৮ জন প্রার্থী জয়লাভ করে। নির্বাচনের দিন রাতে জোটগতভাবে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পুনঃনির্বাচনের দাবিও জানান তারা।

এদিকে জোটের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ইতোমধ্যে গণফোরাম থেকে নির্বাচিত সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর ও মোকাব্বির খান শপথ গ্রহণ করেন। বিএনপি থেকে নির্বাচিত ৬ জন সংসদ সদস্য এখনও শপথ গ্রহণ করে নাই।

/এএইচআর/টিটি/

লাইভ

টপ